• ১৮ নভেম্বর ২০১৯ ০০:৩৫:৩৮
  • ১৮ নভেম্বর ২০১৯ ০০:৩৫:৩৮
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

সেই ছাত্রলীগ কর্মীদের সাময়িক বহিষ্কার, ৭ দিনের আল্টিমেটাম

ছবি: সংগৃহীত

রাবি প্রতিনিধি :

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফাইন্যান্স বিভাগের শিক্ষার্থী সোহরাব মিয়াকে মারধরের ঘটনায় জড়িত দুই ছাত্রলীগ কর্মীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে বহিষ্কারের বিষয়ে কোনো ধরনের লিখিত প্রমাণ দাখিল করা হয়নি।

১৭ নভেম্বর, রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান মৌখিকভাবে এ ঘোষণা দেন। 

বহিষ্কৃতরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রাকিবুল ইসলাম (আসিফ লাক) ও বাংলা বিভাগের একই বর্ষের হুমায়ন কবির নাহিদ।

বহিষ্কার আদেশের লিখিত প্রমাণের বিষয়ে প্রক্টর বলেন, ‘শৃঙ্খলা কমিটির এক জরুরি সভায় ওই দুই ছাত্রলীগ কর্মীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এটা পাস হয়ে গেছে। এর লিখিত ডকুমেন্টের আর প্রয়োজন নেই।’

এদিকে এই ছাত্রলীগ কর্মীদের সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত মেনে নেয়নি আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। তারা ওই দুই জনকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করতে সাত দিনের সময় বেধে (আল্টিমেটাম) দিয়েছেন।

আন্দোলনকারীরা বলেন, ‘সাত দিনের মধ্যে যদি তাদের স্থায়ী বহিষ্কার না করা হয় তাহলে তারা কঠোর আন্দোলনে নামবে তারা।’

স্থায়ী বহিষ্কারের বিষয়ে প্রক্টর বলেন, ‘স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য কিছু পর্যায় রয়েছে যেগুলো অতিক্রম না করা পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্তে আসা সম্ভব নয়। এ বিষয়টি তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পর স্থায়ী বহিষ্কারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

সংগঠনে বহাল তবিয়তে তারা :
বিশ্ববিদ্যাল কর্তৃপক্ষ মৌখিকভাবে জড়িতদের সাময়িক বহিষ্কার করলেও ছাত্রলীগে এখনো তারা বহাল তবিয়তেই আছেন। ঘটনা তদন্তে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের শর্তে কমিটি গঠন করা হলেও ৪৮ ঘণ্টায়ও এ বিষয়ে সাংগঠনিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি।

তদন্ত কমিটির সদস্য শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান মিশু এ তথ্য জানান।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেয়ার পরও দলীয়ভাবে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত না নেয়াকে তালবাহানা বলে উল্লেখ করছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নেতা। তারা বলছেন, ছাত্রলীগের ইমেজ ধরে রাখতে হলেও অপারাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি।
ছাত্রলীগ সভাপতি গোলাম কিবরিয়া এখনো ঘটনার বিষয়ে কোনো কথা বলেননি।

প্রসঙ্গত, ১৫ নভেম্বর (শুক্রবার) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. জোহা হলে ছাত্রলীগ সভাপতির অনুসারী আসিফ লাক ও নাহিদসহ কয়েকজন সোহরাবকে রুমে ডেকে নিয়ে বেধড়ক মারধর করে। এ ঘটনার পর সড়ক ও প্রশাসন ভবন অবরোধ করে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ কর্মীদের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি জানায় শিক্ষার্থীরা। একই দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘নিপীড়ন বিরোধী ছাত্র-শিক্ষক ঐক্য পরিষদ’।

বাংলা/এএএ

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0196 seconds.