• বিদেশ ডেস্ক
  • ১৬ নভেম্বর ২০১৯ ২০:৫৯:২২
  • ১৬ নভেম্বর ২০১৯ ২০:৫৯:২২
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

দূষণ-ভরা দিল্লিতে চালু হলো অক্সিজেন বার

ছবি: ডেকান হেরাল্ড থেকে

নয়াদিল্লিতে খোলা হল ভারতের প্রথম অক্সিজেন বার। দিল্লির বায়ু দূষণের মাত্রা বাড়ায় এই অভিনব পন্থা বেছে নিয়েছে সাকেট রোডের অক্সি পিয়োর বার। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ডেকান হেরাল্ড এ খবর প্রকাশ করেছে।

বাইরে থেকে সাধারন পানশালার মত দেখতে হলেও বারটির খাদ্যতালিকায় রয়েছে অক্সিজেন এবং অক্সিজেনজাত পানীয়। ২০১৯ সালের মে মাসে এই বার প্রথম চালু করেন আর্যবীর কুমার। এখানে শতকরা ৯৫ ভাগ শুদ্ধ অক্সিজেন সরবরাহ করা হয়।

এই অক্সিজেন থেরাপি ওজন হ্রাস, মেমরি ধরে রাখা, মস্তিষ্কের ঘনত্ব বৃদ্ধি ও শক্তি প্রদান করে বলে দাবি করা হচ্ছে। থেরাপিটি গ্রাহকদের হতাশা থেকে মুক্তি দেবে বল্রে প্রতিশ্রুতি দেো হচ্ছে। থেরাপিটিতে সাধারণের তুলনায় চার থেকে পাঁচগুন বেশি অক্সিজেন সেবন করা যায়। থেরাপির মাধ্যমে হ্যাঙ্গওভার, জেট ল্যাগ নিরাময় এমনকি যৌনসক্ষমতা বাড়িয়ে তোলার দাবি করছে বারটি।

গ্রাহকদের জন্য রয়েছে বিভিন্ন স্বাদ ও গন্ধের অক্সিজেন এবং অক্সিজেনজাত পানীয়। ভ্যানিলা, চেরি, বাদাম, স্পিয়ারমিন্ট, গোলমরিচ, ইউক্যালিপটাস, লেমনগ্রাস, কমলা, উদ্যান, দারুচিনি, উইন্টার গ্রিন এবং ল্যাভেন্ডারের মতো সুগন্ধ থেকে বেছে নিতে পারবেন গ্রাহকরা। বারটির পক্ষ থকে বলা হচ্ছে, ‘সুবাসগুলো সারা পৃথিবী জুড়ে পাওয়া বিভিন্ন উদ্ভিদের বীজ, ফুল, পাতা, চামড়া ও শিকড় থেকে নেয়া হয়েছে।’

প্রাকৃতিক অক্সিজেন সেবনের জন্য কোন মূল্য না দিতে হলেও এই বারে প্রতি সেশানের জন্য মূল্য দিতে হয় ২৯৯ রুপি। প্রতি সেশানের দৈর্ঘ্য ১০-১৫ মিনিট। তবে, প্রতিটি আলাদা সুবাসের মূল্যে রয়েছে ভিন্নতা। সেশনের মাঝখানেও গ্রাহকরা প্রয়োজন অনুযায়ী সুগন্ধ ও স্বাদ পরিবর্তন করতে পারবেন।

বারের ওয়েবসাইট থেকে আরো জানা যায়, গ্রাহকরা একটি ‘অক্সিজেন ককটেল’ পান করতে পারেন, যা ‘অক্সিজেন সমৃদ্ধ পানীয়যুক্ত একটি ফোমযুক্ত পদার্থ’।

অক্সি পিউর, নয়াদিল্লির সাকেট সিটি ওয়াক মলের ভিতরে অবস্থিত। বারটির হেড অব স্টাফ বনি ইরেংবাম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে দ্বিতীয় আউটলেটটি দিল্লি বিমানবন্দরে চালু হবে।

বাংলা/এসজে

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0212 seconds.