• বিদেশ ডেস্ক
  • ১৬ নভেম্বর ২০১৯ ১৭:৫৫:১২
  • ১৬ নভেম্বর ২০১৯ ১৭:৫৭:০২
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রী অর্জন করছেন ৯ বছরের লরেন্ট

লরেন্ট সাইমন্স। ছবি : সিএনএন থেকে নেয়া

৯ বছর বয়সী এক শিশুকে স্নাতক ডিগ্রি দিতে যাচ্ছে বেলজিয়ামের আইনধোভেন ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি। লরেন্ট সাইমন্স নামের এই শিশুটি বিশ্ববিদ্যালয়টির ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে পড়ছেন। আগামী ডিসেম্বর মাসে লরেন্টের স্নাতক সম্পন্ন হবে। এছাড়াও এই শিশুটি চারটি ভাষায় কথা বলতে পারে।

সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য যেখানে এই কোর্সটি করা অনেক কঠিন, সেখানে মাত্র ৯ বছর বয়সেই ডিগ্রি লাভের যোগ্যতা অর্জন করেছে শিশু লরেন্ট! এই স্নাতক সম্পন্ন হলে গোটা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে কম বয়সে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের রেকর্ড গড়বেন লরেন্ট। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা সিএনএন এমন খবর প্রকাশ করেছে।

লরেন্টের বাবা বলেন, ‘স্নাতক সম্পন্ন করার পর ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ের ওপর পিএইচডি করতে চায় লরেন্ট। এর পাশাপাশি মেডিসিন নিয়েও লেখাপড়া করছে সে। লরেন্ট মাধ্যমিকের লেখাপড়া শেষ করেছে মাত্র আট বছর বয়সে। সব মিলিয়ে ১৮ মাস সময়ের মধ্যে মাধ্যমিক ও স্নাতক পর্যায়ের পড়াশোনা শেষ হতে যাচ্ছে লরেন্টের।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা পরিচালক জোয়ের্ড হালশফ বলেন, ‘এটি অস্বাভাবিক নয়। বিশেষ যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষার্থীরা যৌক্তিক কারণেই এই সুযোগ পেয়েছেন থাকেন। তবে লরেন্ট স্রেফ অসাধারণ! আমরা এ পর্যন্ত যত শিক্ষার্থী পেয়েছি, লরেন্ট তাদের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত সব শিখে ফেলেছে। সে শুধু অত্যন্ত মেধাবীই নয়, খুব অনুভূতিপ্রবণও।’

বাবা-মায়ের সাথে লরেন্ট সাইমন্স : ছবি সংগৃহীত

চিকিৎসক পিতা-মাতার সন্তান লরেন্টের এই কীর্তির কথা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্বের নামীদামী বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাকে নিজেদের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তবে লরেন্ট কোথায় পিএইচডি করার কথা ভাবছে, সে বিষয়ে কিছু বলছে না তার পরিবার।

লরেন্ট বাবা আলেক্সান্ডার বলেন, ‘আমরা চাই না সে খুব সিরিয়াস হয়ে যাক। সে যা পছন্দ করবে তাই করুক। একজন শিশু ও তার প্রতিভার মধ্যে ভারসাম্য থাকা চাই। লরেন্ট তার পোষা কুকুর স্যামির সঙ্গে সময় কাটায় এবং ফোনে গেম খেলে অন্য শিশুদের মতোই। তবে সে নিজের জীবনের লক্ষ্য ঠিক করে ফেলেছে! তার ইচ্ছা কৃত্রিম অঙ্গপ্রত্যঙ্গ তৈরি করা।’

মা লিডিয়া জানান, অনেক আগে লরেন্টের দাদী ওর অনেক প্রশংসা করছিলেন। আর শিক্ষকরাও তার মধ্যে খুবই আশ্চর্যজনক কিছু গুণ দেখতে পান। তবে পরিবারের সদস্যরা বুঝে ‍উঠতে পারছেন না যে, কীভাবে লরেন্ট এত দ্রুত সব শিখতে পারে।

এ বিষয়ে লিডিয়া অবশ্য মজা করে বলেন, ‘গর্ভাবস্থায় অনেক মাছ খেয়েছিলাম, সে কারণ হয়তো লরেন্ট এতো মেধাবী হতে পারে!’

বাংলা/এনএস

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0220 seconds.