• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ০৮ নভেম্বর ২০১৯ ১০:০৫:৩৮
  • ০৮ নভেম্বর ২০১৯ ১০:০৫:৩৮
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

আজ ফিরছে বাদলের মরদেহ, দুপুরে সংসদে জানাজা

ছবি : সংগৃহীত

ভারতের ব্যাঙ্গালুরু থেকে আজ ঢাকায় আনা হচ্ছে বীর মুক্তিযোদ্ধা, সংসদ সদস্য মঈন উদ্দিন খান বাদলের মরদেহ। সকালে তার মরদেহ ফেরার পর দুপুরে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে আগামীকাল ৯ নভেম্বর, শনিবার মরদেহ নেয়া হবে চট্টগ্রামে।

শনিবারই চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে মা-বাবার পাশে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বাদলের ছোট ভাই মনির উদ্দিন আহমদ খান। তিনি বলেন, ‘বাড়ির পাশে পারিবারিক কবরস্থানে পিতা-মাতার পাশেই বাদল ভাইকে দাফনের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।’

চট্টগ্রামে নেয়ার পর নগরীর জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর তাকে সমাহিত করা হবে বলে জানা গেছে।

এদিকে বাদলের গ্রামের বাড়ি সারোয়াতলীর খান মহলে শোকাবহ পরিবেশ বিরাজ করছে। বাড়ির সামনে শেষ বারের মতো বাদলকে শ্রদ্ধার সঙ্গে বিদায় জানানোর প্রস্তুতি চলছে। আর ভেতর থেকে মাঝেমাঝেই ভেসে আসছে ভাই-বোন আর স্বজনদের আর্তনাদ। পাঁচ ভাই ও তিন বোনের মধ্যে বাদল ছিলেন তৃতীয়।

গতকাল ৭ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে ভারতের ব্যাঙ্গালুরুর নারায়ণ হৃদরোগ রিসার্চ ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মঈন উদ্দিন খান বাদল। 
হাসপাতালে মৃত্যুর সময় সাথে ছিলেন তার সহধর্মিণী সেলিনা বাদল। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে একটি বিশেষ দল বাদলের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া তত্ত্বাবধান করছে। 

গতকাল সকালে বর্ষীয়ান এই রাজনীতিকের মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। চট্টগ্রামের বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও সংগঠনের পক্ষ থেকে শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দেয়া হয়েছে। 

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি জন্ম নেয়া বাদল ছিলেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের একাংশের কার্যকরী সভাপতি। তিনি চট্টগ্রাম-৮ আসন থেকে তিন বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তার তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

ছাত্রাবস্থায় ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত বাদল সক্রিয়ভাবে অংশ নেন ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে। বাঙালিদের ওপর আক্রমণের জন্য পাকিস্তান থেকে আনা অস্ত্র চট্টগ্রাম বন্দরে সোয়াত জাহাজ থেকে খালাসের সময় প্রতিরোধের অন্যতম নেতৃত্বদাতা ছিলেন বাদল।

মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে বাদল সমাজতান্ত্রিক রাজনীতির প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তিনি যোগ দেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদে। পরবর্তীতে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ হয়ে পুনরায় জাসদে ফেরেন তিনি। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৪ দল গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন মঈন উদ্দিন খান বাদল।

বাংলা/এসএ

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0190 seconds.