• বিদেশ ডেস্ক
  • ০৭ নভেম্বর ২০১৯ ১২:৪২:১৬
  • ০৭ নভেম্বর ২০১৯ ২০:২৬:৩৪
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

প্রতিদ্বন্দ্বীর হাতে মাদক যুদ্ধের দায়িত্ব দিলেন দুতার্তে

ছবি : সংগৃহীত

ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তে ২০১৬ সালে ক্ষমতায় আসা পরই মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। তার এই মাদক যুদ্ধে হতাহতের সংখ্যা অনেক। দুতার্তে এবার বিতর্কিত এই অভিযানের নেতৃত্ব দেয়ার দায়িত্ব দিলেন তারই সমালোচক লেনি রব্রেদোর হাতে। রব্রেদো এই প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন বলে খবর প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা সি এন এন ও রয়টার্স।

দুতার্তের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী এবং বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট মিসেস রব্রেদো জানান, তিনি নিরপরাধ মানুষের হত্যাকাণ্ড বন্ধ করতে এবং কর্তৃপক্ষকে জবাবদিহি করার জন্য তার ক্ষমতা ব্যবহার করবেন।

দুতার্তের এক মুখপাত্রের দেয়া তথ্য অনুসারে, ‘এই নিয়োগটি তাদের প্রাক্তন সাংবিধানিক অঙ্গীকারকে সম্মান করে।’

তবে মিসেস রব্রেডোর সমর্থকরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, তাকে বলির পাঁঠা বানাচ্ছেন দুতার্তে।

৬ নভেম্বর, বুধবার রব্রেদো সাংবাদিকদের বলেন, ‘মাদক যুদ্ধের বিষয়ে আমার অবস্থান কী তা রাষ্ট্রপতি জানেন। তিনি যদি মনে করেন যে এই প্রস্তাবটি গ্রহণ করার পরে আমি চুপ হয়ে যাব তবে তিনি ভুল ভাবছেন।’

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে নির্বাচনে বিজয় লাভ করার পরে, রাষ্ট্রপতি দুতার্তে, ‘অবৈধ মাদক ব্যক্তিত্ব’র বিরুদ্ধে কঠোর প্রচার অভিযান শুরু করেছিলেন, তিনি তখন আরো দাবি করেন যে, ফিলিপাইন একটি ‘মাদক সাম্রাজ্য’ হয়ে গেছে।

দুতার্তে জনসাধারণকে মাদকাসক্ত ও মাদক ব্যবসায়ীদের হত্যা করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘তিনি সন্দেহভাজন মাদক ব্যবহারকারী ও মাদক বিক্রেতাদের হত্যার জন্য পুলিশকে অনুদানের প্রদান করবেন।’

অভিযান শুরুর পর থেকে কমপক্ষে ৬,৬০০ মাদক বিক্রেতা সহ ব্যবহারকারী মারা গেছে বলে পুলিশ জানায়। তবে কিছু মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে নিহতের সংখ্যা ২৭ হাজারের কাছাকাছি।

মিসেস রব্রেদো, ইন্টার এজেন্সি কমিটি অন এন্টি-ইলিগ্যাল ড্রাগস (আইসিএডি)’র সহ-সভাপতিত্ব করবেন। তার সাথে থাকবেন দেশটির মাদক প্রয়োগকারী সংস্থার প্রধান হারুন অ্যাকিনোক।

তার এই মন্ত্রিসভা স্তরের অবস্থানটিতে, মাদকবিরোধী অভিযান সম্পর্কিত সমস্ত নথি এবং গোয়েন্দা প্রতিবেদনের উপর সম্পূর্ণ অধিকার থাকবে। এই পদটি মিসেস রব্রেদোকে অবৈধ ওষুধের বিষয়ে সরকারী নীতি গঠনের ক্ষমতা দেবে এবং ফিলিপিনো কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এটি বাস্তবায়িত হবে।  তবে, ২০২২ সালের ৩০ জুনের আগে যে কোনো সময় তার অবস্থানটি বাতিল করার ক্ষমতা রাখবে সরকার।

মিসেস রব্রেদো বলেন, ‘তিনি রাষ্ট্রপতির উদ্দেশ্য সম্পর্কে সন্দিহান। তবে অবৈধ ওষুধের বিরুদ্ধে অভিযান ঠিক করার এই সুযোগটি তিনি কাজে লাগাতে চান।’

তিনি আরো বলেন, ‘যদি আমি একটি নিরীহ জীবন বাঁচাতে পারি তবে আমার নীতি ও হৃদয় আমাকে তার চেষ্টা করতে বলে।’

প্রসঙ্গত, রব্রেদো ২০১৬ সালে সহ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং তখন থেকেই তাকে দুতার্তের প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে দেখা হয়।

বাংলা/এসজে

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0182 seconds.