• বিদেশ ডেস্ক
  • ০৩ নভেম্বর ২০১৯ ১৬:০৮:৩৮
  • ০৩ নভেম্বর ২০১৯ ১৬:১০:২২
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

নারীদের ছাড়াই ‘স্বাধীনতার বিক্ষোভ যাত্রা’ হলো পাকিস্তানে

ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানে ইমরান খান সরকার পতনের দাবিতে ‘আজাদি মার্চ’ নামে বিক্ষোভ যাত্রা শুরু করেছে আলেম নেতৃবৃন্দ সরকারবিরোধী দল জেআইআই-এফ। তাদের দাবি অনুসারে, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইমরান খানকে পদত্যাগ করতে হবে। কিন্তু, বিক্ষোভ যাত্রায় কোনো নারী সদস্যকে দেখা যায়নি বলে জানিয়েছে আন্তুর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম বিবিসি।

তবে তাদের অনুপস্থিতিতে কোনো ভুল ছিল না বলে দাবি করেছে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো। ৩ নভেম্বর, রবিবার ‘আজাদি মার্চ’ শুরুর আগে প্রকাশিত পত্রপত্রিকায় মহিলাদের ‘উপবাস ও প্রার্থনা’ করার জন্য বাড়িতে থাকতে বলা হয়েছে।

বিবিসি উর্দু সাংবাদিকরা জানান, ‘এই পদ্ধতি কাজ করেছে।’ তারা আরো বলেন, আগামী পাঁচদিন ধরে পাকিস্তানের আশেপাশের পথে আহত হওয়ার কারণে একজন মহিলাও জেআইআই-এফের এই বিক্ষোভ যাত্রায় ছিলেন না।

১ নভেম্বর, শুক্রবার অন্যান্য বিরোধী দলগুলোর পাশাপাশি একটি গণসমাবেশে রাজধানীতে পৌঁছার সাথে সাথে জেআইআই-এফকে আরো একটি কমান্ড পাঠানো হয়েছিল বলে গুজব ছড়িয়ে পড়ে। যাতে বলা হয়, মহিলা সাংবাদিকরা যাতে এই আন্দোলনটি ধারন না করেন কিম্বা তাতে অংশ না নেন।

কয়েকজন নারী সাংবাদিককে সমাবেশে ঢুকতেই দেয়া হয়নি। অন্যরা বলেছেন, যে তাদের ঢুকতে তো দেয়া হয়নি বরং এতোটা হয়রানি করা হয়েছে যে, তারা চলে আসতে বাধ্য হন।

সাংবাদিক শিফা জেড ইউসুফজাই এক টুইট বার্তায় বলেছেন, একজন ব্যক্তি এসে তাদের বলছিলেন যে মহিলাদের অনুমতি দেয়া হচ্ছে না তাই মহিলারা এখানে থাকতে পারবেন না। “বেরিয়ে যান!” কিন্তু এক মিনিটের মধ্যেই পুরুষদের ভিড় আমাদের ঘিরে ফেলে এবং স্লোগান দিতে শুরু করে, তাই আমাদের সমাবেশ ছেড়ে চলে যেতে হয়েছিল।

এদিকে বার্তা সংস্থা এপিপিকে জেআইআই-এফ নেতা মাওলানা ফজলুর রেহমান বলেছেন, ‘মহিলাদের প্রতি আমাদের অনেক শ্রদ্ধা আছে। মহিলা সাংবাদিকরা চাইলে ‘ফুল ড্রেস কোডে’ (সঠিক কাপড় পড়ে) সমাবেশে যোগ দিতে পারতেন।’

নারীদের এই সমাবেশে অংশগ্রহণ না করতে দেয়ায় ব্যাপারটি অন্যদিকে চলে যাচ্ছে বলে জানান বিবিসি’র মুখপাত্ররা।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে পাকিস্তান নির্বাচনে ইমরান খান সরকার ক্ষমতায় আসে এবং অভিযোগ রয়েছে এটি ইমরান জনসমর্থনের মাধ্যমে অর্জন করেননি। যদিও, ইইউ পর্যবেক্ষক মিশন নির্বাচনে কোন ত্রুটি পায়নি তবে, অন্যান্য দলগুলোর জন্য নির্বাচনী সুবিধা অনেক কম ছিল।

অর্থনীতির অবস্থা নিয়েও মানুষ ক্ষুব্ধ, ইমরান সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন কিন্তু বর্তমানে তিনি সাধারণ মানুষের উপর আর্থিক চাপ সৃষ্টি করছেন বলে সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা জানায়।

বাংলা/এসজে

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0272 seconds.