• বাংলা ডেস্ক
  • ০১ নভেম্বর ২০১৯ ১৫:০৪:০২
  • ০১ নভেম্বর ২০১৯ ১৫:০৪:০২
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

বাদ পড়ছেন তৃণমূল আ.লীগের ৪ হাজার নেতা

ফাইল ছবি

তৃণমূল আওয়ামী লীগের কোনো স্তরের কমিটিতে অনৈতিক ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত কাউকে না নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতাকে গণভবনে ডেকে তিনি এ নির্দেশ দেন।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর এক সদস্যের বরাতে দেশ রুপান্তর’এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সভাপতিমণ্ডলীর ওই সদস্য বলেন, তৃণমূলের কোথায় কাকে নেতা বানাতে হবে সে ধরনের একটি দিক-নির্দেশনাও শেখ হাসিনা কেন্দ্রীয় নেতাদের দিয়েছেন। এরই অংশ হিসেবে গতকাল বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর সভা ডাকা হয়। সেখানে শেখ হাসিনার ওই নির্দেশনার কথা নেতাদের অবহিত করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

সম্পাদকমণ্ডলীর একাধিক সদস্য জানান, সারাদেশে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে যেসব নেতা বিতর্কিত হয়েছেন তাদের তালিকা করেছেন শেখ হাসিনা। সারাদেশে এ ধরনের অন্তত চার হাজার নেতার তালিকা তার হাতে রয়েছে। তালিকায় দুর্নীতিবাজ, মাদকসেবী এবং যুদ্ধাপরাধীদের পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক আছে এমন নেতা আছেন। আছেন জামায়াত-বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারীরাও। তারা যাতে দলের নেতা হওয়ার সুযোগ না পান সে বিষয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের সতর্ক থাকতে সম্পাদকমণ্ডলীর সভায় বলা হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন ওবায়দুল কাদের।

বৈঠকে উপস্থিত সম্পাদকমণ্ডলীর এক সদস্য বলেন, আজকের সভায় কেন্দ্রীয় নেতাদের শেখ হাসিনার নির্দেশের কথা অবহিত করা হয়েছে। সারাদেশে তৃণমূলের সম্মেলনে নেতা নির্বাচনের পদ্ধতি সম্পর্কে শেখ হাসিনার চাওয়া কী তা বলা হয়েছে।

শেখ হাসিনাকে উদ্ধৃত করে আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর আরেক সদস্য বলেন, দল থেকে বিতর্কিতদের বাদ দেয়ার এখনই উপযুক্ত সময় বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।

আগামী ২০ ও ২১ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলন হওয়ার কথা। গত ১৪ সেপ্টেম্বর দলটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের শীর্ষ দুই নেতাকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয় তাদের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য। সূচনা বক্তব্যে নিয়মিত দলের সম্মেলন করে সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির পাশাপাশি সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন শেখ হাসিনা। এরপর গত ১৮ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া ‘শুদ্ধি অভিযানে’ আওয়ামী লীগ এবং দলটির সহযোগী সংগঠনগুলোর বেশকিছু নেতা গ্রেপ্তার হয়েছেন, অনেকের ব্যাংক হিসাব জব্দও হয়েছে। এ অভিযান শুধু ঢাকা নয়, সারা দেশেই চলবে এমনটাই বলে আসছেন ক্ষমতাসীন দলটির শীর্ষ নেতারা।

২০১৬ সালের ২৩ অক্টোবর ২০তম সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে টানা অষ্টমবারের মতো পুনরায় নির্বাচিত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদ পান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, যে পদে ছিলেন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

সংশ্লিষ্ট বিষয়

আওয়ামী লীগ

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0238 seconds.