• ফিচার ডেস্ক
  • ২৭ অক্টোবর ২০১৯ ১৩:০৩:৪৪
  • ২৭ অক্টোবর ২০১৯ ১৩:০৩:৪৪
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

দাঁতের যত্নে যেসব সতর্কতা জরুরি

ছবি : সংগৃহীত

অবহেলা-অযত্নে দাঁতে ক্ষয় দেখা দেয়। সেই সাথে ক্যাভিটি ও হলদেটে ভাবও চলে আসে। কিন্তু সুন্দর হাসির জন্য দরকার দাঁতের সঠিক যত্ন ও রক্ষণাবেক্ষণ। এসব থেকে রক্ষা পেতে সতর্ক থাকা জরুরি।

এছাড়াও দাঁতের ব্যথা-যন্ত্রণা ও অস্বস্তিকর অবস্থা থেকেও মুক্ত পেতে দরকার সঠিক খাদ্যাভ্যাসও। এ জন্য বিশেষ কিছু পদ্ধতি অনুসরণ প্রয়োজন। চলুন দেখে নিই তেমন কিছু টিপস:

* খাদ্য গ্রহণের পরপর ভালভাবে কুলকুচা করতে হবে। বিশেষ করে, গ্রহণকৃত খাদ্যদ্রব্য যদি শর্করা বা চিনি জাতীয় হয়, তবে অবশ্যই কুলকুচা করতে ভুলবেন না।

* মুখ ও দাঁতের মাঝে কোনরকম অস্বাভাবিক অনুভূতির সৃষ্টি হলে দ্রুত ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন।

* কোন কারণে যদি মুখ থেকে দুর্গন্ধ বের হয়, দেরি না করে আজই যান ডেন্টিস্টের কাছে।

* গর্ভবতী মায়েদের ওষুধ সেবনের সময় সতর্ক থাকা দরকার। বিশেষ করে টেট্রাসাইক্লিন জাতীয় ওষুধ সেবনে চিকিৎসকের পরামর্শ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মেনে চলুন। কেননা এ জাতীয় ওষুধ আগত সন্তানের দাঁতের ওপর দাগ ফেলতে পারে।

* দাঁতের ক্ষয় টের পাওয়া মাত্রই চিকিৎসা গ্রহণ জরুরি।

* বছরে অন্তত একবার মুখ ও দাঁত পরীক্ষা করুন।

* শিশুদের রাতে শোবার সময় ফিডার দিয়ে দুধপান করতে দেয়া পুরোপুরি বাদ দিন।

* বাচ্চাদের যতটুকু সম্ভব মিষ্টি জাতীয় খাবার থেকে দূরে রাখুন। খেতে দিলেও কম কম খেতে দেবেন এবং খাওয়ার সাথেসাথেই ভালো করে কুলি করানোর অভ্যাস গড়ে দিন।

* শিশুদের মাঝে আঙ্গুল চোষা, দাঁত দিয়ে নখ কাটা এমনকি শক্ত কোন জিনিস কামড়ানোর মতো বদঅভ্যাস দেখা দেয়। এসব অভ্যাস থেকে শিশুদের বিরত রাখুন।

* সঠিক পদ্ধতিতে প্রতিদিন সকালে নাস্তার পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে দাঁত ব্রাশ করার প্রতি আগ্রহ তৈরি কুরন। সঠিক পদ্ধতি হলো মাঢ়ি এবং দাঁতের সংযোগ স্থলে ব্রাশকে ৪৫০ কোণ করে ধরে উপরের দাঁত এর বেলায় উপর থেকে নিচে এবং নিচের দাঁতের বেলায় নিচ থেকে উপরের দিকে অত্যন্ত ধীরে ধীরে দাঁতের সকল পাশে ব্রাশ করা। তবে ভেতরের অংশ ব্রাশ করার জন্য সামনে- পেছনে ও ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। শুধু দাঁত ব্রাশ করলেই হবে না সঙ্গে সঙ্গে জিহ্বায় লেগে থাকা খাদ্যকণা পরিষ্কারও জরুরি।

* যদি ব্রাশ না পান তবে নিমের বা জয়তুনের ডালের সাধারণ দাঁতন ব্যবহার করা যেতে পারে। যদিও এসব দিয়ে দাঁতের সকল অংশ ঠিকভাবে পরিষ্কার হয়না। নরম ব্রাশ বা দাঁতনের সাথে টুথ পেস্ট ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো। তবে মিহিদানা সংবলিত টুথ পাউডার ব্যবহারও করা যেতে পারে। যদি পেস্ট বা পাউডার না পাওয়া যায় তখন কেবল মাত্র লবণ পানি বা শুধু পানি দিয়ে দাঁত মাজুন।

* খাবারের পর আঁশযুক্ত ফলমূল খাওয়া উচিত। কেননা ফলমূল দাঁতের ভিত মজবুত এবং পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।

* দাঁতের ফাঁকফোকরে ডেন্টাল ফ্লস বা টুথপিক দিয়ে পরিষ্কার করা যেতে পারে। তবে ধারালো টুথপিক দিয়ে এসব খোঁচানো উচিত হবে না।

* টুথ পেস্ট ছাড়া কয়লা, ছাই বা অন্য কোন কিছু দিয়ে দাঁত মাজা বন্ধ করুন।

* আর টুথ ব্রাশ বদলাবেন অন্তত প্রতি তিন মাস পরপর।

* তামাকজাত পণ্য গ্রহণ বা নেশার অভ্যাস থাকলে তা দ্রুতই ত্যাগ করুন।

বাংলা/এসএ

সংশ্লিষ্ট বিষয়

দাঁতের যত্ন দাঁত ব্যথা

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0218 seconds.