• বিদেশ ডেস্ক
  • ২২ অক্টোবর ২০১৯ ১৭:১২:৫৮
  • ২২ অক্টোবর ২০১৯ ১৭:১২:৫৮
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ফিরে পেতে আইনি লড়াইয়ে আইএস বধূ শামীমা

শামীমা বেগম। ছবি : সংগৃহীত

২০১৪ সালে সিরিয়াতে তথাকথিত ইসলামিক স্টেটে যোগ দিতে লন্ডন ত্যাগ করেন শামীমা বেগম। এরপর আইএস নিয়ন্ত্রিত এলাকায় তিন বছরেরও বেশি সময় বসবাস করেন তিনি।  

ব্রিটিশ সংবাদপত্র টাইমসের একজন সাংবাদিক ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সিরিয়ার একটা শরণার্থী শিবিরে শামীমাকে খুঁজে পান।

সাবেক ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ জাভিদ সে মাসের শেষের দিকে শামীমার নাগরিকত্ব বাতিল করেন।  শামীমার পরিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই শুরু করেছে।

দ্যা স্পেশাল ইমিগ্রেশন আপিলস কমিশন (সিয়াক) মঙ্গলবার লন্ডনে এই সিদ্ধান্তের উপর চার দিনের প্রাথমিক শুনানি শুরু করবে।

ব্রিটিশ নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত করায় শামীমাকে রাষ্ট্রহীন করে তুলবে কিনা এবং এর ফলে বিষয়টি আইন-বিরুদ্ধ হবে কিনা তা খতিয়ে দেখবেন বিচারপতি এলিজাবেথ লেইং।

সিয়াকে আবেদনকারীদের নাম-পরিচয় গোপন রাখা হয়। তবে এটা বোধগম্য যে মিসেস শামীমা তার নাম-পরিচয় গোপন রাখার অধিকার হারিয়েছেন।

দু'জন স্কুল ছাত্রীর সঙ্গে তিনি যখন বাড়ি ছাড়েন, তখন তার বয়স মাত্র ১৫ বছর। বাবা-মাকে তারা বলেছিলেন যে কেবল ওই দিনের জন্য তারা বেড়াতে শহরের বাইরে যাচ্ছেন।

কিন্তু আসলে তারা ব্যাগ গুছিয়ে প্রথমে পালিয়ে যান তুরস্কে, পরে সেখান থেকে যান সিরিয়ার আইএস নিয়ন্ত্রিত এলাকায়।

ফেব্রুয়ারি মাসে একজন ব্রিটিশ সাংবাদিক শামীমাকে সিরিয়ার একটি শরণার্থী শিবিরে খুঁজে পান। সে সময় শামীমা গর্ভবতী ছিলেন। শামীমা তখন  টাইমস পত্রিকাকে বলেন, দেশে ফেরার জন্য যে কোন কিছু করতে রাজী আছেন তিনি।

মিসেস শামীমা জানান, রাক্কাতে পৌঁছানোর দশ দিনের মাথায় ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হল্যান্ডের নাগরিক ইয়াগো রেইডিজক এর সাথে তার বিয়ে হয়। তার স্বামী পরবর্তীতে গ্রেপ্তার হন বলেও জানান তিনি।

শামীমা শেষমেশ তার স্বামীর সাথে ২০১৭ সালের জানুয়ারির রাক্কা ছেড়ে আসেন। এর আগেই তার এক বছর নয় মাস বয়সী মেয়ে এবং তিন মাস বয়সী একটি ছেলে মারা যায়। তার তৃতীয় সন্তান মারা যায় জন্মের পরপরই।

এদিকে ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রীতি পাটেল শামীমা আর ইউকে’তে ফিরতে পারবে না উল্লেখ করে গতমাসে দ্যা সান পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের কাজ হচ্ছে আমাদের দেশকে নিরাপদ রাখা। আমাদের এমন কোন লোক দরকার নেই যে ইতিমধ্যেই অনেক ক্ষতি সাধন করেছে এবং প্রাণঘাতী আদর্শের অংশ হওয়ার জন্য এবং সেই আদর্শকে এগিয়ে নেয়ার জন্য আমাদের দেশ ত্যাগ করেছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা আমাদের দেশে এমন কাউকে গ্রহণ করতে পারি না যে এই দেশে আইএস এর একজন সক্রিয় সমর্থক এবং প্রচারক ছিল।’

বাংলা/এমএইচ

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0199 seconds.