• ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ০১:২০:৪৭
  • ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ০১:২০:৪৭
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

ছোট দলের বড় তারকা সাদ উদ্দিন

সাদ উদ্দিন। ছবি : সংগৃহীত

২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ ও পরের বছরের এশিয়া কাপের যৌথ বাছাই পর্বে ভারতের বিপক্ষে ভারতের মাঠেই ৪২ মিনিটে গোল করে রাতারাতি তারকা বনে গেছেন সাদ উদ্দিন। জাতীয় দলের হয়ে এটাই তার প্রথম গোল।

জাতীয় দলের হয়ে আট ম্যাচ খেলেছেন তিনি। এখন তিনি ক্লাব ফুটবলে আবাহনীর হয়ে খেলছেন। কিন্তু তার জাতীয় দলে আসা বয়ঃভিত্তিক দল থেকে।

২০১৫ সালে অনূর্ধ্ব -১৬ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ বয়স ভিত্তিক দলটি। সেই দলেই ছিলেন সাদ উদ্দিন। সেখান থেকেই শুরু তার যাত্রা।

সাদের উঠে আসার পিছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেন জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার ওয়াহেদ আহামেদ। তিনি সাদ উদ্দিনকে আবাহনীতে নিয়ে আসেন।

বিবিসিকে ওয়াহেদ আহামেদ বলেন, ‘সাদ উদ্দিনের পরিবারের সাথে আমার খুব ভালে সম্পর্ক। বয়স ভিত্তিক দল থেকে আমি ওকে আবাহনীতে নিয়ে আসি। আমরা একদম আপন ভাইয়ের মতো।’

তিনি আরো বলেন, ‘সাদ কিন্তু নিজে থেকেই এসেছে অনূর্ধ্ব ১৬-তে।ওর খেলা দেখে মনে হয়েছে ওকে ঢাকায় নিয়ে আসি। প্রথম বছর আবাহনী ক্লাবে সুযোগ না হলেও পরে সুযোগ পায় সাদ। সুযোগ পাওয়ার পর থেকেই ভালো খেলেছে সাদ।’

সাদ উদ্দিন ভারতের বিপক্ষে গোল করলেও জিততে পারেনি বাংলাদেশ। ১-১ গোলে সমতায় মাঠ ছাড়ে দুদল। কিন্তু সাদ উদ্দিনের সেই আশা জাগানিয়া গোল নিয়ে আলোচনা হচ্ছে অনেক। সবাই প্রশংসা করছে তার।

ফিটনেস নিয়েও খুব সচেতন সাদ। ফুটবলারদের জন্য আলাদা জিমনেসিয়াম নেই তাই বাধ্য হয়ে ফুটবলারদের নিজেদেরই ফিটনেস নিয়ে কাজ করতে হয়। আর তা খুব ভালোভাবেই করেন সাদ উদ্দিন।

ফুটবল বিশ্লেষক মামুন হোসেন বলেন, ‘ফিটনেস নিয়ে খুব সচেতন সাদ উদ্দিন। যখনি আবাহনী ক্লাবে যেতাম সতীর্থরা না থাকলেও একা একাই ফিটনেস নিয়ে কাজ করতেন তিনি।’

ফেডারেশন কাপে ও আবাহনীর হয়ে গোল করেন সাদ উদ্দিন।এবার করলেন জাতীয় দলের হয়ে। সামনে আরো ভালো করবে এটাই সবার চাওয়া।

বাংলা/এনবি

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0214 seconds.