• বিদেশ ডেস্ক
  • ১৪ অক্টোবর ২০১৯ ১০:৪৩:৩২
  • ১৪ অক্টোবর ২০১৯ ১০:৪৩:৩২
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

ইরানে গোপন সফরে আমিরাতের প্রিন্স

প্রিন্স তাহনাউন বিন জায়েদ। ছবি : টুইটার থেকে নেয়া

আরব আমিরাতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও যুবরাজের ছোট ভাই তাহনাউন বিন জায়েদ আটচল্লিশ ঘণ্টার এক গোপন মিশনে ইরান সফর করছেন। উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে উত্তেজনা কমিয়ে আনতেই তিনি এই সফর করছেন বলে জানা গেছে। 

সংকট ছড়িয়ে পড়ার মধ্যেই দুই পক্ষের উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকই হচ্ছে তাহনাউনের এই গোপনীয় মিশন। আমিরাতের এক জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে এমন খবর প্রকাশ করে সংবাদ সংস্থা মিডল ইস্ট আই। 

তবে গত সপ্তাহের শেষ দিকে তাহনাউনের এই মিশনের খবর গোপনই রাখা হয়েছে। উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক সংঘাত উসকে দিতে যুক্তরাষ্ট্রের চেষ্টার বিরোধিতা করছে ব্রিটেন, জার্মানি ও ফ্রান্স। আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী আনওয়ার গারগাশ তাদের কূটনৈতিক চেষ্টার তারিফ করেছেন।

আনওয়ার গারগাশ বলেন, ‘প্রতিটি ক্ষেত্রে ইরানের বিরুদ্ধে সংঘাতে যাওয়ার বিষয়টি এড়িয়ে চলছে আমিরাত। সম্ভাব্য বৈরিতা ও উত্তেজনা লাগবে সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার কাজ আমরা চালিয়ে যাবো।’

তিনি আরো বলেন, ‘যখন প্রয়োজন হবে, আমরা আত্মরক্ষার পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। তবে সেটা সবসময়ই সমানুপাতিক, ন্যায়সঙ্গত ও সংযমের মধ্যেই থাকবে। উত্তেজনা কমাতে আমরা বাস্তবসম্মত কূটনৈতিক পথ খুঁজছি। একটা অর্থপূর্ণ আলোচনার উপায় বের করতে চাচ্ছি।’

সৌদি আরব ও ইরানকে আলোচনায় বসাতে বিভিন্ন পক্ষের জোরালো ও তুমুল চেষ্টার পর আরব আমিরাত যুবরাজের ভাইয়ের ইরান সফরের এই খবর এসেছে।

এদিকে তেহরানকেও বার্তা দিতে ইরাকি প্রধানমন্ত্রী আদেল আবদেল মাহদিকে অনুরোধ করেছে সৌদি আরব। সম্প্রতি ইয়েমেন থেকে সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে আমিরাত। দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরনগরী এডেনে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্রকাশ্যে সমর্থন দিয়েছে দেশটি।

প্রসঙ্গত, ইরানের সঙ্গে সংকট ও উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার পর নিজের নমনীয়তার পথ ধরেই চলছে আমিরাত। ইতোমধ্যে তার বেশ কিছু আভাস পাওয়া গেছে। এ বছরের শুরুতে আমিরাতের বন্দর ফুজাইরাহ উপকূলে চারটি ট্যাংকারে রহস্যময় হামলার পর দুই উপসাগরীয় দেশের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে গিয়েছিল।

যদিও মার্কিন জ্যেষ্ঠ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা অ্যাডমিরাল মাইকেল গিলডেই বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার সিদ্ধান্ত হচ্ছে- ওই হামলার জন্য ইরানের বিপ্লবী গার্ডস বাহিনী সরাসরি দায়ী।’

কিন্তু হামলার ঘটনায় ইরানের দিকে কখনোয় আঙুল তোলেনি আমিরাত। বরং ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের জন্য নিজেদের নৌকর্মকর্তাদের পাঠিয়েছিল তারা।

বাংলা/এনএস

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0186 seconds.