• ০৯ অক্টোবর ২০১৯ ২২:৪৯:১১
  • ০৯ অক্টোবর ২০১৯ ২২:৪৯:১১
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

আবরার হত্যা: সুষ্ঠুবিচার দাবিতে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন

ছবি : বাংলা

চবি ও ইবি প্রতিনিধি :

বাংলাদেশের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার সুষ্ঠুবিচার দাবিতে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা। 

৯ অক্টোবর, বুধবার সন্ধ্যা ৭ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার বেদীতে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে আবরার হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই। আগের ঘটনাগুলোতেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তার যথার্থ ফলাফল পাইনি।

ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি বিষয়ে শিক্ষার্থীরা বলেন, ছাত্ররাজনীতির ইতিহাস দেখলে গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস পাওয়া যাবে৷ কিন্তু কিছু সন্ত্রাসী গোষ্ঠী এই ছাত্ররাজনীতিকে কলুষিত করেছে। আমরা চাই তারা এ থেকে বেরিয়ে আসুক।

এতে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফাহমিদা ইসলাম নাজু, অর্থনীতি বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সায়মা আখতার মিশু, আধুনিক ভাষা ইন্সটিটিউটের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তাসনীম তাবাসসুম এবং উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষার্থী সানজিদা আফরিন।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় :

বুয়েটের তড়িৎকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়ন ও ছাত্রমৈত্রীর সমন্বয়ে গঠিত প্রগতিশীল ছাত্রসমাজ।

বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ক্যাম্পাসের জিয়া মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে প্রগতিশীল ছাত্রসমাজের নেতাকর্মীরা। মিছিলটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শহীদ মিনারে প্রতিবাদ সমাবেশে গিয়ে মিলিত হয়। এসময় তারা আবরার হত্যার সাথে জড়িতদের বিচার দ্রুত সময়ের মধ্যে করার দাবি জানায়।

এছাড়াও তারা আবরারের স্মরণে শহীদ মিনারে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন ও আত্মার মাগরিফাত কামনায় এক মিনিট নিরবতা পালন করে। প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইবি ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি নুরুন্নবী সবুজ, সাধারণ সম্পাদক জি কে. সাদিক ও ছাত্র মৈত্রীর সহ-সভাপতি শামিমুল ইসলাম সুমন। এসময় ছাত্রসমাজের নেতারা আবরার হত্যার বিচার দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ করা, দেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ক্ষমতাশীনদের হলের সিট বানিজ্য বন্ধ করার দাবি জানায়। 

এদিকে আন্দোলন থামাতে বিক্ষোভ শুরুর পরে ক্যাম্পাসের প্রধান ফটক বন্ধ করে দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এছাড়াও প্রধান ফটকের বাহিরে অতিরিক্ত আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়ন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. নাছির আযহারী বলেন, ‘অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি এড়াতে আন্দোলনের সময় আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়ন করে কর্তৃপক্ষ। তবে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন সমাপ্ত করেছে তারা।’

বাংলা/এএএ

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0203 seconds.