• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ০৯ অক্টোবর ২০১৯ ১৯:০৯:৪৭
  • ০৯ অক্টোবর ২০১৯ ১৯:০৯:৪৭
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

ভিসিকে আবরারের বাড়িতে ঢুকতে দেয়নি এলাকাবাসী

ছবি : সংগৃহীত

বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে হত্যাকাণ্ডের তিন দিনের দিন কুষ্টিয়ায় গিয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম। ৯ অক্টোবর বুধবার আবরারের কুষ্টিয়ার বাড়িতে পৌঁছালে সেখানে তাকে ঢুকতে দেয়নি বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।

স্থানীয় লোকজনের প্রতিরোধের মুখে ভিসি পালিয়ে এসেছেন। বুধবার বিকেল ৫টার দিকে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের গাড়িতে ওই এলাকা ত্যাগ করেন তিনি।

এর আগে বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কুমারখালী উপজেলায় রায়ডাঙ্গা গ্রামে যান উপাচার্য। পরে তিনি আবরারের কবর জিয়ারত করেন। তবে তার বাড়িতে ঢুকতে পারেননি উপাচার্য।

এর আগে উপাচার্য আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ ও ভাই আবরার ফায়াজসহ সবাই মিলে কবর জিয়ারত করেন। পরে আবরারের ভাই ও বাবার প্রশ্নবানে জর্জরিত হন উপাচার্য। তাদের জিজ্ঞাসা ছিল, উপাচার্য কেন ওই হত্যাকাণ্ডের পরপর সেখানে উপস্থিত হননি। এখন কেন এসেছেন?

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল ৫টার দিকে আবরারের মা রোকেয়া খাতুনের সঙ্গে দেখা করার জন্য রওনা দেন উপাচার্য। একই সড়কের পাশে আবরারের কবর ও পৈতৃক ভিটা। কুমারখালী থেকে যেতে প্রথমে কবরস্থান পড়ে। পরে আধা কিলোমিটারের মাথায় ওই বাড়ি। কিন্তু উপাচার্যের যাওয়ার কথা শুনে স্থানীয় শত শত নারী-পুরুষ আবরারদের গ্রামের বাড়ির সামনের সড়কে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপাচার্যকে ঘিরে ধরেন। এ পরিস্থিতিতে আবরারের মায়ের সঙ্গে দেখা না করে উপাচার্য পুলিশ প্রহরায় জেলা প্রশাসকের গাড়িতে রায়ডাঙ্গা গ্রাম ছাড়েন।

স্থানীয়রা জানান, আবরারের বাড়িতে ঢোকার আগে উপাচার্যকে বাধা দেয় স্থানীয় গ্রামবাসী। আবরারের বাড়ি ঢোকার মুখে ভিসির গাড়ির সামনে শুয়ে পড়েন নারীরা। পরে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে এক নারী ও আবরারের ছোট ভাই আবরার ফায়াজসহ পাঁচজন আহত হন।

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বুয়েট ভিসি আবরার ফাহাদ

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0232 seconds.