• বিদেশ ডেস্ক
  • ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০১:০৫:০৩
  • ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০১:০৫:০৩
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

ইসরায়েল বয়কট আন্দোলনে যুক্ত থাকায় পুরস্কার বাতিল হল যে লেখিকার

কামিলা শামসি। ছবি : সংগৃহীত

ইসরায়েলকে বয়কট করে বিডিএস নামে পরিচিত ফিলিস্তিনভিত্তিক আন্তর্জাতিক একটি আন্দোলনকে সমর্থন করার জন্য পাকিস্তান বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ লেখিকা কামিলা শামসির পুরস্কার বাতিল করেছে জার্মানির একটি শহর।

চলতি বছরের নেলি শ্যাকস সাহিত্য পুরস্কারের জন্য জার্মানির ডর্টমুন্ড শহর প্রখ্যাত উপন্যাসিক কামিলা শামসির নাম ঘোষণা করে। নোবেল বিজয়ী ইহুদী কবি নেলি শ্যাকসের সম্মানে প্রতি দুই বছর অন্তর এই পুরস্কারটি দিয়ে থাকে জার্মানির ডর্টমুন্ড শহর।

৬ সেপ্টেম্বর জুরি বোর্ডের ৮ জন সদস্য কামিলা সামসির পক্ষে তাদের ভোট দেন। কিন্তু তিনি বিডিএস আন্দোলন সমর্থন করেন জানতে পেরে পুরস্কার কমিটি তার পুরস্কার বাতিল করে দেয়।

প্রসঙ্গত অন্যায়ভাবে ফিলিস্তিনিদের ভূমি দখল এবং তাদের প্রতি নির্যাতনের প্রতিবাদে ইসরায়েলকে বয়কটের আহ্বান জানিয়ে ২০০৫ সালে বিডিএস আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে। ইসরায়েলকে বয়কট, ডাইভেস্টমেন্ট, স্যাঙ্কসনস অথবা বর্জন, পরিত্যাগ, নিষেধাজ্ঞার আহ্বান জানিয়ে করা এই আন্দোলনের প্রতি বিশ্বজুড়ে বিবেকবান অনেকেই সাড়া দিতে শুরু করেছেন। কামিলা শামসিও ২০১৪ সাল থেকেই এই আন্দোলন সমর্থন করছেন বলে জানা গেছে।

বুধবার এক বিবৃতিতে ডর্টমুন্ড কর্তৃপক্ষ কামিলা শামসির পুরস্কার বাতিলের খবর প্রকাশ করে। তারা জানায়, কামিলার বিডিএস আন্দোলনে জড়িত থাকার বিষয়টি এই পুরস্কারের চেতনা বিরোধী। ২০১৯ সালে এই পুরস্কার আর কাউকে দেয়া হবে না বলেও উল্লেখ করা হয়।

এদিকে কামিলা শামসি তার প্রতিক্রিয়ায় জানান, ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইসরায়েলি সরকারের বৈষম্য এবং বর্বরতার প্রতিবাদ জানানোর জন্য ইসরায়েলিদের বিরুদ্ধে বিডিএস আন্দোলন করা হচ্ছে। তিনি এটিকে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ বলে উল্লেখ করেন।

৪৬ বছর বয়সি এই লেখিকা টুইটারের মাধ্যমে জানান, বিবেকের আহ্বানে সাড়া দেয়া একজন লেখকের কাছ থেকে চাপের মুখে জুরি সদস্যরা যে ভাবে পুরস্কার প্রত্যাহার করে নিয়েছেন তা অত্যন্ত দুঃখজনক।

উল্লেখ্য, কামিলা শামসি পাকিস্তানের করাচিতে জন্মগ্রহণ করেন। এরপর তিনি লন্ডন চলে যান। ব্রোকেন ভার্সেস, বার্ন্ট শ্যাডোজ এবং হাউজ ফায়ার ইত্যাদি তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাস। ২০১৭ সালের বুকার পুরস্কারের দীর্ঘ তালিকায় তার নাম ছিল। এছাড়া ২০১৮ সালে তিনি উইমেনস প্রাইজ ফর ফিকশন পুরস্কার পান।

বাংলা/এফকে

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0190 seconds.