• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৯:১৯:৫০
  • ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৯:১৯:৫০
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

ব্যারাকে বসে ইয়াবার ভাগবাটোয়ারা, ৫ পুলিশ রিমান্ডে

ফাইল ছবি

আসামির কাছ থেকে ইয়াবা জব্দ করে তাদের ছেড়ে ইয়াবার ভাগবাটোয়ারা ও বিক্রির প্রস্তুতির সময় গ্রেপ্তার পাঁচ পুলিশ সদস্যের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

১৬ সেপ্টেম্বর, সোমবার পাঁচ পুলিশ সদস্যকে আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার পরিদর্শক পরিদশ চন্দ্র। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম কনক বড়ুয়া তিনজনের তিনদিন ও দুই জনের দুইদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

তিনদিনের রিমান্ডকৃতরা হলেন- গুলশান থানার এএসআই মাসুদ আহমেদ মিয়াজী (৪৪),এপিবিএনের কনস্টেবল প্রশান্ত মণ্ডল (২৩) ও নায়েক মো. জাহাঙ্গীর আলম (২৭)।

দুইদিনের রিমান্ডকৃতরা হলেন- এপিবিএনের কনস্টেবল মো. রনি মোল্ল্যা (২১) ও কনস্টেবল মো. শরিফুল ইসলাম (২৩)।

রবিবার রাতে এপিবিএনের চার পুলিশ কর্মকর্তা এবং গুলশান থানার এক এএসআইকে গ্রেফতার করা হয়।

মামলার এজাহারে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে উত্তরার এপিবিএন-১ সদর দপ্তরের ব্যারাক ভবনের চতুর্থ তলার বাথরুমের সামনে কয়েকজন পুলিশ সদস্য ইয়াবার ভাগবাটোয়ারা করছেন। তখনই তাদের বিরুদ্ধে অভিযানের সিদ্ধান্ত নেয় এপিবিএন। ঊর্ধ্বতনদের অনুমতি নিয়ে একটি ফোর্স যায় সেই বাথরুমে। অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন এপিবিএন-১ এর উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আবু জাফর।

অভিযানে বাথরুমের সামনে গিয়ে কনস্টেবল প্রশান্ত মণ্ডল, কনস্টেবল রনি মোল্ল্যা ও কনস্টেবল শরিফুল ইসলামকে দেখতে পায় তারা। এসময় কনস্টেবল প্রশান্ত মণ্ডলের প্যান্টের ডান পকেট থেকে ১৫৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। অভিযান চালানো হয় মণ্ডলের ব্যারাকের রুমে। সেখানে তার কাপড়ের ট্রাঙ্ক থেকে আরো ৩৯৪ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর শরিফুলের কাছ থেকে ইয়াবা বিক্রির নগদ ১৫ হাজার টাকাসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

কনস্টেবল শরিফুল ইসলাম পুলিশকে জানায়, সে রনি মোল্ল্যার কাছ থেকে ১৮৫০০ টাকায় ১৫০ পিস ইয়াবা কিনেছে। এরপর গ্রেপ্তার করা হয় রনিকে।

কনস্টেবল প্রশান্ত মণ্ডল পুলিশকে জানায়, ১১ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৬টায় গুলশানের গুদারাঘাট চেকপোস্টে একটি মোটরসাইকেল তল্লাশি করে আরোহীর কাছ থেকে ইয়াবাগুলো উদ্ধার করা হয়। তবে মোটরসাইকেল আরোহীর সঙ্গে যোগসাজশ করে তাকে ছেড়ে দিয়ে তার কাছে থাকা ২০০ পিস ইয়াবা গুলশানের এএসআই মাসুদ মিয়াজী তার হেফাজতে রাখে। বাকি ১৫০ পিস নেয় জাহাঙ্গীর আলম।

তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ এর ৩৬ (১) ও ৪১ ধারায় মামলা করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট বিষয়

ইয়াবা পুলিশ উত্তরা

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0207 seconds.