• বাংলা ডেস্ক
  • ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৪:১১:০২
  • ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৪:১১:০২
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

ক্ষমা চেয়ে যা বলেন রাব্বানী

গোলাম রাব্বানী। ছবি : সংগৃহীত

নিজ কৃতকর্মের জন্য ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইলেন ছাত্রলীগের সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সংগঠনটির অসংখ্য নেতা-কর্মীর প্রত্যাশা পুরণ করতে না পারার কারণে তিনি ক্ষামা প্রার্থনা করেন। সেখানে তিনি ষড়যন্তের শিকার হয়েছেন বলেও জানান।

১৬ সেপ্টেম্বর, সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজেস্ব ফেরিফায়েড একাউন্টে এক স্ট্যাটাসের মাধ্যম প্রধানমন্ত্রী ও সংগঠনের নেতা কর্মীদের কাছে এই ক্ষমা চান তিনি।

রাব্বানী ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘মমতাময়ী নেত্রী, আপনার মনে কষ্ট দিয়েছি, আমি অনুতপ্ত, ক্ষমাপ্রার্থী। প্রিয় অগ্রজ ও অনুজ, আপনাদের প্রত্যাশা-প্রাপ্তির পুরো মেলবন্ধন ঘটাতে পারিনি বলে আপনাদের কাছেও ক্ষমাপ্রার্থী।’

‘মানুষ মাত্রই ভুল হয়। আমিও ভুলত্রুটির উর্ধ্বে নই। তবে বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি, স্বেচ্ছায়-স্বজ্ঞানে আবেগ-ভালোবাসার এই প্রাণের সংগঠনের নীতি-আদর্শ পরিপন্থী 'গর্হিত কোন অপরাধ' করিনি। আনীত অভিযোগের কতটা ষড়যন্ত্রমূলক আর অতিরঞ্জিত, সময় ঠিক বলে দেবে।’

‘প্রাণপ্রিয় আপা, আপনি আদর্শিক পিতা বঙ্গবন্ধু মুজিবের সুযোগ্য তনায়া, ১৮ কোটি মানুষের আশার বাতিঘর। আপনার দিগন্ত বিস্তৃত স্নেহের আঁচল, এক কোণে যেন ঠাঁই পাই। আপনার ক্ষমা এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে বাকিটা জীবন চলতে চাই।’

এদিকে রাব্বানীর ক্ষমা চেয়ে করা ওই স্ট্যাটাসে ফেসবুক ব্যবহারকারীরা নানা রকমের মন্তব্যও করেন।

প্রসঙ্গত, সদ্য পদত্যাগকারী ছাত্রলীগের সভাপতি শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী এ বছরের মে মাসে ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেন। কমিটি ঘোষণার পরপরই পদবঞ্চিতরা অভিযোগ করেছিলেন, কেন্দ্রীয় কমিটিতে অছাত্র, মাদক, হত্যা মামলার আসামি, চাকরিজীবী ও বিবাহিতরা স্থান পেয়েছেন। পদপ্রাপ্তদের অনুসারী ও পদবঞ্চিতদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একাধিকবার সংঘর্ষ হয়। চাঁদাবাজি, কেন্দ্রীয় কমিটিতে বিতর্কিতদের জায়গা দেয়াসহ নানা অভিযোগে রবিবার পদ হারান শোভন ও রাব্বানী।

বাংলা/এনএস

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0367 seconds.