• বিদেশ ডেস্ক
  • ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২১:৫৫:১০
  • ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২১:৫৫:১০
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

ইরান নিয়ে মতভেদের কারণে বোল্টনকে বরখাস্ত করেন ট্রাম্প

ছবি : সংগৃহীত

ইরানের ব্যাপারে মতভেদের কারণে সাবেক নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টনকে বরখাস্ত করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।  সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এই দাবি করা হয়।

বুধবার ব্লুমবার্গে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, ইরানের উপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সহজ করতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু ইরানের ব্যাপারে কট্টর অবস্থান নেয়া বোল্টন কোন ভাবেই এই প্রস্তাবে রাজি ছিলেন না।  ফলে তাকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।   

মঙ্গলবার ট্রাম্প টুইটারের মাধ্যমে জানান, তিনি নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টনকে বরখাস্ত করেছেন। পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন, বিভিন্ন বিষয়ে বোল্টনের কট্টর অবস্থানের সঙ্গে তিনি একমত হতে পারেননি। অবশ্য বোল্টন জানান, একদিন আগেই তিনি তার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

এদিকে বোল্টনকে বরখাস্ত করার খবরে ইরান জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত যুদ্ধবাজদের কাছ থেকে নিজেদের দূরে রাখা।   

মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে বোল্টন এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মধ্যে মতভেদের খবর একদম গোপন কোন বিষয় ছিল না।  ট্রাম্প ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির সঙ্গে বৈঠকের ব্যাপারে আগ্রহী। অথচ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া না হলে মার্কিনীদের সঙ্গে কোন আলোচনায় যাবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল ইরান।    

ফলে ইরানি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনার খাতিরে ট্রাম্প দেশটির উপর যে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে তা কিছুটা সহজ করতে চেয়েছিলেন। এখানেই বোল্টনের সঙ্গে ট্রাম্পের মত বিরোধিতার শুরু হয়।

এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত অথচ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এমন তিন ব্যক্তির উদ্ধৃতি দিয়ে ব্লুমবার্গ জানায়, সোমবার হোয়াইট হাউজের ওভাল অফিসে এই ব্যাপারে আলোচনা হলে বোল্টন ট্রাম্পের নতুন এই পরিকল্পনার ব্যাপারে তীব্র আপত্তি জানান।

অর্থমন্ত্রী স্টিভেন মানুচিন প্রেসিডেন্টের এই পরিকল্পনার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করার পর ট্রাম্প পরেরদিন বোল্টনকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেন।  

এদিকে ব্লুমবার্গ জানায়, সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠেয় জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের একফাঁকে ইরানি প্রেসিডেন্ট রুহানির সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একান্ত বৈঠকের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে হোয়াইট হাউজ।   

উল্লেখ্য, বোল্টন ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের প্রবক্তা।  ২০১৫ সালে ছয় জাতির সঙ্গে করা ইরানের পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্র গত বছর নিজেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছিল। এক্ষেত্রেও বোল্টনই অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল।  এছাড়া দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচিকে ধ্বংস করার জন্য ইরান আক্রমণের আহ্বানও জানিয়েছিলেন তিনি।

বাংলা/এফকে

 

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0200 seconds.