• বিদেশ ডেস্ক
  • ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১১:৩২:২৯
  • ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১১:৪০:৪৮
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

ইরাকে ৪০ টন বোমা ফেলেছে মার্কিন বাহিনী

ছবি : সংগৃহীত

ইরাকের আইএস অধিকৃত একটি দ্বীপে ৪০ টন বোমা ফেলেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনী। মধ্য-ইরাকে মসুল ও ইরবিলের কাছেই তাইগ্রিস নদীর মাঝে অবস্থিত আল-কানুস নামের দ্বীপটিতে ওই হামলা চালানো হয়। বিমান হামলার পর ওই এলাকায় বিশেষ স্থলবাহিনীও পাঠানো হয়।

মঙ্গলবার ওই হামলা চালায় মার্কিন বিমানবাহিনী। যৌথবাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল মাইলস বি ক্যাগিংস তার এক টুইটার বার্তায় এ হামলার তথ্য নিশ্চিত করেন। দ্য সান ও ফক্স নিউজ এমন খবর প্রকাশ করে।

‘অপারেশন জয়েন্ট রিজলভ’ নামের এ হামলায় মার্কিন এফ-১৫ ও এফ-৩৫ সিরিজের কয়েকটি যুদ্ধবিমানসহ আইএসবিরোধী জোটের বেশ কয়েকটি বিমান অংশ নেয়।

অন্যদিকে সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় নিষেধাজ্ঞা ব্যবস্থার সম্প্রসারণ এবং আধুনিকায়নের জন্য একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রেস সচিবের দপ্তরের এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়।

এ বিষয়ে জোটের কর্মকর্তারা বলেন, ‘সিরিয়া থেকে ইরাকের মসুল, মাখমুর ও কিরকুক প্রদেশে প্রবেশের জন্য দ্বীপটিকে ‘ট্রানজিট ঘাঁটি’ হিসেবে ব্যবহার করত আইএস। ঘাঁটিটি ধ্বংসে হামলাটি চালানো হয়েছে রাতের বেলা।’

বিমানবাহিনীর প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, দ্বীপের একপ্রান্ত থেকে আরেকপ্রান্ত পর্যন্ত বোমার বিস্ফোরণ হচ্ছে। আর সেই বিস্ফোরণ থেকে কালো ধোঁয়া আকাশে উঠে যাচ্ছে।

জোটের বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘আইএসকে সমূলে নিশ্চিহ্ন করতেই এ হামলা চালানো হয়েছে। ’

অভিযানের মুখপাত্র কর্নেল মাইলস বি ক্যাগিংস বলেন, ‘আমরা ছবি প্রকাশ করেছি। সেখানে আপনারা দেখবেন ৩৬ হাজার কেজি বোমা একটা দ্বীপের উপর ফেলতে দেখতে কেমন লাগে। দ্বীপটি আইএস অধ্যুষিত।’

কমান্ডার মেজর জেনারেল এরিক টি হিল বলেন, ‘কানুস দ্বীপে জঙ্গি লুকিয়ে থাকার চেষ্টাকে আমরা গুঁড়িয়ে দিয়েছি। এর ফলে অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।’

এদিকে সন্ত্রাস দমনের নামে ইরাকে বিমান হামলা জোরদার করেছে ইসরাইল। গত সোমবার ইরাকের সীমান্ত এলাকায় হামলা চালায় ইসরাইলি বিমানবাহিনী। তারা ওই এলাকায় ইরানি বাহিনীর ঘাঁটিতে হামলা বলে চালিয়েছে বলে দাবি করেন।

লন্ডনভিত্তিক পর্যবেক্ষক সংস্থার দাবি, ওই হামলায় অন্তত ১৮ জন ইরানি ও মিত্রসেনা নিহত হন।

প্রসঙ্গত, ইরাক ও সিরিয়াতে ২০১৪ সালের জুন মাসে বিশাল এলাকা দখল করে কথিত খিলাফতের ঘোষণা দেয় আইএস। সিরিয়ার রাকাকে রাজধানী ঘোষণা করে। পার্শ্ববর্তী ইরাকের মসুল শহরকে ঘোষণা করে দ্বিতীয় রাজধানী। প্রায় তিন বছর ধরে ইরাকি বাহিনীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়াসহ ৭৯টি দেশের বিরামহীন বিমান হামলার চাপে ২০১৭ সালে ইরাকে কোণঠাসা হয়ে পড়ে জঙ্গিগোষ্ঠীটি। কিন্তু একেবারে পতন হয়নি এই জঙ্গিগোষ্ঠীর।

সম্প্রতি বিশ্লেষকদের হুশিয়ারিকে সত্য প্রমাণিত করে আবারো মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে আইএস। দিনের বেলা তারা ইরাকের পাহাড়-পর্বত ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের বন-জঙ্গলে লুকিয়ে থাকে। আর রাতের বেলা বের হয়ে হামলা চালাচ্ছে। আইএসকে পুরোপুরি ধ্বংসের লক্ষ্যে নতুন করে হামলা শুরু করেছে মার্কিন জোট।

বাংলা/এনএস

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0216 seconds.