• বিদেশ ডেস্ক
  • ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৯:৫৬:৫০
  • ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৯:৫৬:৫০
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

ট্রাম্প প্রশাসন ছাড়তে হলো ‘যুদ্ধবাজ’ বোল্টনকেও

ছবি : সংগৃহীত

এবার ট্রাম্প প্রশাসন ছাড়তে হলো ‘যুদ্ধবাজ’ বলে কুখ্যাত যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টনকে। মতপার্থক্য ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগে তাকে অপসারণ করা হয়। বিবিসি ও আল জাজিরা এ সংবাদ জানিয়েছে। 

বোল্টনের পদত্যাগের খবর নিশ্চিত করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। এক টুইটবার্তায় তিনি লেখেন, ‘গত রাতে আমি জন বোল্টনকে বলেছি যে, হোয়াইটে হাউজে তার সেবা আর দরকার নেই। প্রশাসনের অনেকের মতো আমিও তার অনেক পরামর্শের বিষয়ে জোরাল আপত্তি জানিয়েছি। এবং সে কারণে আমি জনকে পদত্যাগ করতে বলেছি।’

মঙ্গলবার সকালে জন বোল্টন পদত্যাগ করেছেন উল্লেখ করে ট্রাম্প জানান, আগামী সপ্তাহে নতুন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার নাম ঘোষণা করা হবে।

দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন প্রশাসনে কাজ করা জন বোল্টন ইরাক হামলার জন্য কুখ্যাত হয়ে আছেন। আফগানিস্তানের তালেবান গোষ্ঠীর সঙ্গে শান্তি আলোচনা বাতিল করা নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনে মতপার্থক্যের খবর আসার মধ্যেই বোল্টনের সরে যাওয়ার সংবাদ আসলো। এদিকে তিনিও হোয়াইট হাউস ছেড়ে দেওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, উত্তর কোরিয়া ও আফগানিস্তান বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে মতবিরোধে জড়িয়ে পড়েন সাবেক তিন মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রশাসনে দায়িত্বপালন করা বোল্টন। ইরাকের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের কাছে ব্যাপক বিধ্বংসী অস্ত্র থাকার তথ্য দিয়ে তিনি মার্কিন প্রশাসনকে বিভ্রান্ত করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এমনকি তিনি নানা সময়ে উত্তর কোরিয়াতে হামলা চালানোর উস্কানিও দেন।

বৈশ্বিক সংঘাতের প্রতি আকর্ষণের কারণে বারবারই সমালোচিত হয়েছেন জন বোল্টন। যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াতে অনবরত চেষ্টা করেছেন তিনি। সেই চেষ্টার অংশ হিসেবে ২০১৫ সালে মার্কিন দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্টে একটি কলামও লেখেন বোল্টন। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উত্তেজনায়ও তিনি মূল ক্রীড়নকের ভূমিকা পালন করছিলেন।

ইরান পরমাণু চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ট্রাম্পের অবস্থান সমর্থন করে ২০১৮ সালের এপ্রিল থেকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার পদে আসেন জন বোল্টন। তার আগে এই পদ ছাড়তে হয়েছে মাইকেল ফ্লিন ও ম্যাকমাস্টারকে।

হোয়াইট হাউজ সূত্র জানায়, সম্প্রতি বোল্টনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় নিরাপত্তা পর্ষদের সদস্যদের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাদের মতবিরোধ এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, সম্পর্ক অনেকটা শত্রুতায় রূপ নেয়।

বাংলা/এসএ

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0219 seconds.