• বিদেশ ডেস্ক
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১১:৪৫:৫৪
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১১:৪৫:৫৪
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

জাতিসংঘে কাশ্মীর-আসাম ইস্যুতে অস্বস্তিতে ভারত

ছবি : সংগৃহীত

জাতিসংঘে মানবাধিকার পরিষদের বৈঠকের শুরুতেই অস্বস্তিতে পড়তে হলো নরেন্দ্র মোদির সরকার। বৈঠকের শুরুতেই কাশ্মীর নিয়ে ভারতকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন মানবাধিকার কমিশনার মিশেল ব্যাচেলে। একই সাথে আসামের জাতীয় নাগরিকত্ব তালিকা (এনআরসি) নিয়েও প্রশ্নের সম্মুখীন হয় ভারত।

মঙ্গলবার সুইজার‌ল্যান্ডের জেনেভায় সংস্থাটির সদরদপ্তরে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা আনন্দবাজর এমন খবর প্রকাশ করেছে।

এ সময় মিশেল বলেন, ‘আমরা কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণরেখার দু’দিকেই মানবাধিকার লঙ্ঘনের খবর পাচ্ছি। সম্প্রতি ভারত সরকার কাশ্মীরে ইন্টারনেট যোগাযোগ ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের আটক করা হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘ভারত ও পাকিস্তান সরকারকে কাশ্মীরিদের মানবাধিকার রক্ষার আহ্বান জানিয়েছি আমরা। এখন বিশেষত ভারতের কথাই বলতে চাই। আমার অনুরোধ, কাশ্মীরে কার্ফু তুলে নেবে দিল্লি। মানুষকে ন্যূনতম নাগরিক সেবা পাওয়ার সুযোগ দেয়া হোক। যাদের আটক করা হয়েছে তাদের ক্ষেত্রে আইন মেনে চলতে হবে।’

তার বক্তব্য, ‘কাশ্মীর নিয়ে যে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় সেখানকার বাসিন্দাদের সামিল করতে হবে।’

এ সময় আসামের এনআরসি প্রক্রিয়া নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে মিশেল আরো বলেন, ‘এনআরসি‘র চূড়ান্ত তালিকায় ১৯ লক্ষ মানুষের নাম বাদ পড়েছে। ফলে প্রবল উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।’

জেনেভায় পাকিস্তানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি প্রতিনিধিত্ব করলেও ভারতের তরফে নেতৃত্ব দেবেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব) বিজয় সিংহ ঠাকুর। মূলত পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর গুরুত্বকে লঘু করতেই জেনিভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে না পাঠানোর কৌশল নিয়েছে দিল্লি।

জাতিসংঘের এই বৈঠকে কাশ্মীর-প্রশ্নে পাকিস্তান ভারতকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করবে বলে আশঙ্কা দিল্লির। মানবাধিকার কমিশনার মিশেল নিজেই কাশ্মীর-প্রসঙ্গ তোলায় ইসলামাবাদ কিছুটা সুবিধে পেতে পারে বলে মনে করছেন দেশটির কূটনীতিকেরা।

বাংলা/এনএস

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0203 seconds.