• বিদেশ ডেস্ক
  • ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১১:০৬:৫২
  • ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৩:৫০:৩০
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

আসাম থেকে বিদেশি সংবাদিকদের বের করে দেয়ার অভিযোগ

ছবি : আনন্দবাজার থেকে নেয়া

ভারতের আসাম থেকে বিদেশি সংবাদিকদের বের করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে নরেন্দ্র মোদির সরকারের বিরুদ্ধে। রাজ্য জুড়ে এনআরসি সংক্রান্ত গরমিলের ঘটনা সামনে আসতেই সংবাদমাধ্যমের মুখ বন্ধ রাখতেই এমন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। আর বিদেশি সংবাদ মাধ্যমের কর্মীরা এর প্রথম শিকার।

সরকার শান্ত বলে দাবি করে এলেও কাশ্মীর যে অশান্ত তা বিদেশি সংবাদমাধ্যমেই প্রথম সামনে এসেছিল। সেই খবরকে অস্ত্র করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে সরব হয় পাকিস্তান। অস্বস্তিতে পড়ে সরকার। অস্বীকার করে সব অভিযোগ। তাই এনআরসি নিয়েও এই ধরনের কোনো সংবাদ প্রকাশ হোক তা মোটেই কাম্য নয় মোদি সরকারের কাছে। সেজন্য এই ব্যবস্থা। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা আনন্দবাজার এমন খবর প্রকাশ করেছে।

অভিযোগ উঠেছে, নেতিবাচক খবর প্রকাশ বন্ধ করতে সব বিদেশি সাংবাদিককে আসাম ছাড়তে বলা হয়েছে। বিদেশি সংবাদমাধ্যমের এক বিদেশি নারী সাংবাদিককে পুলিশ পাহারায় বিমানবন্দরে ছেড়ে আসা হয়েছে। আসামকে সংরক্ষিত এলাকা বা ‘প্রোটেকটেড এরিয়া’ বলে দেখানোর অভিযোগও উঠেছে। যেখানে যেতে নিতে হবে ‘প্রোটেকটেড এরিয়া পারমিট (পিএপি)’।

তবে দেশটির পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অবশ্য এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছে। আসামের স্বরাষ্ট্র দপ্তরও জানায়, কোনো বিদেশি সাংবাদিককে রাজ্য থেকে বার করে দেয়া হয়নি। আসামকে ‘প্রোটেকটেড এরিয়া’ ঘোযণা করে কোনো নির্দেশও জারি হয়নি।

যে সাংবাদিককে বার করে দেয়ার খবর পাওয়া গেছে সেই সংবাদ সংস্থাও জানায়, ওই সাংবাদিক স্বেচ্ছায় আসাম থেকে ফিরে এসেছেন। তাকে জোর করা হয়নি। তবে আনন্দবাজারের ওই খবরে সংবাদ সংস্থা বা সেই সাংবাদিকের নাম প্রকাশ করা হয়নি।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা পবনকুমার বাধে বলেন, ‘শুধু আসামই নয়, জম্মু-কাশ্মীর ও উত্তর-পূর্বের সব রাজ্যে যাওয়ার ক্ষেত্রেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিতে হয় বিদেশি সাংবাদিকদের। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনার পরে সেই অনুমতি দেয়া হয়। এটা নতুন নিয়ম নয়। এর সঙ্গে এনআরসির সম্পর্ক নেই।’ এ প্রসঙ্গে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তির ৮২ নম্বর ধারা উদ্ধৃত করেন। পরে মন্ত্রণালয় টুইট করে জানায়, খবরটি ভুয়া।

তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘প্রোটেকটেড এরিয়া’র তালিকায় হিমাচলপ্রদেশ, রাজস্থান, উত্তরাখণ্ড ও জম্মু-কাশ্মীরের অংশবিশেষ, অরুণাচল, মণিপুর, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, সিকিমের নাম থাকলেও আসামের নাম নেই। তবে কেন আসামে আসতে ‘পিএপি’র অনুমতিপত্র লাগবে? এমন প্রশ্নে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মুখ খোলেনি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা আরো জানান, ‘পিএপি’ ও এই অনুমতিপত্র এক নয়। বিদেশি সাংবাদিকদের উত্তর-পূর্বে যে কোনো এলাকায় আসতেই অনুমতি লাগে।

বাংলা/এনএস

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0211 seconds.