• ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:০১:২২
  • ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:০১:২২
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

‘ভাগ-বাটোয়ারা সহজ করতে ডাকসু নির্বাচনে শিক্ষক-ছাত্রলীগ আঁতাত’

ছবি : সংগৃহীত

ঢাবি প্রতিনিধি :

ভাগ-বাটোয়ারার হিসাব সহজ করতেই ডাকসু নির্বাচনে রোকেয়া হলে শিক্ষক-ছাত্রলীগ আঁতাত করেছে বলে অভিযোগ করেছেন রোকেয়া হলের নিয়োগ বাণিজ্যের প্রতিবাদে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে রোকেয়া হলের আবাসিক শিক্ষার্থী শ্রবনা শফিক দীপ্তিকে হয়রানি ও লাঞ্চনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে তারা এ দাবি করেন।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি, টিএসসি, রোকেয়া হল হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গা প্রদিক্ষন করে উপাচার্য কার্যালয়ের সামনে আসেন।

উপাচার্য অফিসে আসার খবর পেয়েই কর্মচারীরা ফটকে তালা লাগিয়ে দেয়। তারপর শিক্ষার্থীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। তখন আন্দোলনকারীরা ফটকের সামনেই সমাবেশ করে।

সমাবেশে লাঞ্চনার শিকার দীপ্তি বলেন, শিক্ষক ছাত্রলীগের সম্পর্ক অটুট রাখতে ১১ মার্চ ডাকসু নির্বাচনে তারা আঁতাত করেছিল। হলের মধ্যে যত ধান্ধা আছে তার ভাগ-বাটোয়ার হিসাব তারা যেন সহজে খেতে পারে। 

ছাত্র ফেডারেশন ঢাবি শাখা সভাপতি আবু রায়হান খান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকরা এখন নিজেদের মালিক আর আমাদের প্রজা ভাবতে শুরু করছে। আমাদেরকে এখন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এ দম্ভ ভাঙতে হবে।

বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার আন্দোলনের আহবায়ক হাসান আল মামুন বলেন, নিয়োগ বাণিজ্য শুধু রোকেয়া হলেই সীমাবদ্ধ নয় সব হল গুলোতে এসব নিয়োগ হয়ে থাকে। আমরা ঢাবি শিক্ষার্থীদেরকে এসব দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।

স্বতন্ত্র প্যানেল থেকে ডাকসু নির্বাচনে অংশ নেয়া অরণি সেমন্তি খান বলেন, রোকেয়া হলে বৃটিশ আমলের টয়লেট পরিবর্তন না করে জিনাত হুদা ২১ লাখ টাকা নিয়ে বাসায় বসে খাচ্ছে। এরকম দুর্নীতিবাজ লোককে শিক্ষক হিসেবে পরিচয় দিতে আমাদের লজ্জা হয়।

এ বিষয়ে ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, আমি মাত্র এ অভিযোগ পেয়েছি। এঘটনার জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অভিযুক্তরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পাবে।

বিক্ষোভ মিছিলে শিক্ষার্থীরা রোকেয়া হলের প্রাধক্ষ অধ্যাপক জিনাত হুদার পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেয়। শিক্ষার্থীরা 'আমার বোন লাঞ্চিত কেন? জিনাত হুদা জবাব দাও', 'জিনাত হুদার আস্তানা ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও', 'নিয়োগ বাণিজ্যের আস্তানা, ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও', 'আপোষ না সংগ্রাম? সংগ্রাম সংগ্রাম ', 'ক্ষমতা না জনতা? জনতা জনতা', ' দালালি না রাজপথ? রাজপথ রাজপথ', 'রাজপথের সংগ্রাম চলছে চলবে' ইত্যাদি স্লোগান দেয়।

বাংলা/এএএ

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0244 seconds.