• বিদেশ ডেস্ক
  • ২৫ আগস্ট ২০১৯ ২২:০৫:১৭
  • ২৫ আগস্ট ২০১৯ ২২:০৫:১৭
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

কাশ্মীরে পাশবিক শক্তি প্রয়োগের অভিজ্ঞতা পেয়েছি : রাহুল গান্ধী

ছবি : সংগৃহীত

জম্মু এবং কাশ্মীরের জনগণের উপর স্থানীয় প্রশাসনের কঠোরতা এবং পাশবিক শক্তি প্রয়োগের অভিজ্ঞতা সরাসরি প্রত্যক্ষ করেছেন বলে জানিয়েছেন ভারতীয় কংগ্রেস পার্টির সাবেক প্রেসিডেন্ট রাহুল গান্ধী।   

রবিবার রাহুল গান্ধী এক টুইট বার্তায় শ্রীনগর বিমানবন্দরে তিনি যে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন তা বর্ণনা করেন।  

রাহুল লিখেন, ‘ ২০ দিন ধরে জম্মু এবং কাশ্মীরের মানুষের স্বাধীনতা এবং নাগরিক অধিকার সংকুচিত করা হয়েছে।  শনিবার আমরা যখন শ্রীনগর যাওয়ার চেষ্টা করি তখন আমাদের সঙ্গে থাকা বিরোধী দলীয় নেতারা এবং গণমাধ্যম কর্মীরা জম্মু–কাশ্মীরের জনগণের উপর কঠোর প্রশাসন এবং পাশবিক শক্তির প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার স্বাদ পেয়েছে। ’

উল্লেখ্য, ৫ আগস্ট মোদি সরকার সংবিধানের ৩৭০ এবং ৩৫ এ অনুচ্ছেদ বিলুপ্তির মাধ্যমে কাশ্মীরের স্বায়ত্তশসনের বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেয়।  এছাড়া রাজ্যটিকে দুই ভাগে বিভক্ত করে কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে নিয়ে আসে।  কাশ্মিরীদের বিক্ষোভের ভয়ে জম্মু-কাশ্মীরে ১৪৪ ধারা জারি করা ছাড়াও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের গৃহবন্দী করে রাখা হয়।  এখনো পর্যন্ত কাশ্মিরী নেতাদের মুক্তি দেয়া হয়নি।  

আকস্মিকভাবে এবং কোন আলাপ আলোচনা ছাড়াই কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা হ্রাস করায় প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসসহ বামপন্থীরা মোদি সরকারের ব্যাপক সমালোচনা করে।  এছাড়া কারফিউ জারি করে সেখানকার জনগণের নাগরিক অধিকার খর্ব করারও নিন্দা জানানো হয়।

পরবর্তীকালে কাশ্মীরের গভর্নর সত্য পাল মালিক সেখানকার স্বাভাবিক পরিস্থিতি সরাসরি দেখার জন্য রাহুল গান্ধীকে কাশ্মীর সফরের আমন্ত্রণ জানান।  কংগ্রেস নেতা তার সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করে কাশ্মীর যাওয়ার ঘোষণা দেন।  এরপর ঘটনা বদলে যেতে থাকে।  কাশ্মিরীদের নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে রাহুলকে সেখানে না যাওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়।   

এদিকে শনিবার বিরোধী দলের নেতাদের সঙ্গে রাহুল গান্ধী কাশ্মীরের রাজধানী শ্রীনগর যান।  অব্যশ্য শহরের ভিতর তাদের প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। বরং বিমানবন্দর থেকেই তাদের জোর করে দিল্লিতে ফেরত পাঠানো হয়।

কংগ্রেস পার্টি এই ঘটনার নিন্দা জানায়।  টুইট বার্তার মাধ্যমে পার্টি জানতে চায়, সরকারের দাবি অনুযায়ী কাশ্মীরের পরিস্থিতি যদি স্বাভাবিকই হয়ে থাকে তাহলে বিরোধী দলের প্রতিনিধিদের সেখানে প্রবেশ করতে দেয়া হলো না কেন?  মোদি সরকার আসলে কি লুকাতে চাইছে?  

বাংলা/এফকে  

 

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0208 seconds.