• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ২৫ আগস্ট ২০১৯ ১৪:১৯:৫৬
  • ২৫ আগস্ট ২০১৯ ১৫:২৩:১৩
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

কাবিননামায় থাকছে না নারীর ‘কুমারী’ পরিচয়

ছবি : সংগৃহীত

বিয়ের কাবিননামা (রেজিস্ট্রেশনে) ফর্মে ৫ নম্বর কলামে কনে কুমারী কি না এই শব্দ উঠিয়ে দেয়ার নির্দেশ দিয়ে রায় ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট। কুমারী শব্দের স্থলে অবিবাহিত লিখতে বলা হয়েছে।

পাশাপাশি কাবিননামার ফর্মে ৪ এর ক উপধারা সংযোজন করে ছেলেদের ক্ষেত্রে বিবাহিত, অবিবাহিত, তালাকপ্রাপ্ত কি না তা লিপিবদ্ধ করতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রবিবার (২৫ আগস্ট) এ বিষয়ে জারি করা রুল নিস্পত্তি করে বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না, অ্যাডভোকেট আইনুন্নাহার। এর আগে বিয়ের কাবিননামার ফর্মে কনে কুমারী, বিধবা ও তালাকপ্রাপ্ত সংক্রান্ত পাঁচ নম্বর কলাম থাকার বৈধতা নিয়ে রিট করা হয়।

রিটের শুনানি নিয়ে ২০১৪ সালে, কাবিননামার ফর্মের (বাংলাদেশ ফর্ম নম্বর-১৬০০ ও ১৬০১) পাঁচ নম্বর কলাম কেন বৈষম্যমূলক ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে কেন ‘কুমারী’ শব্দটি বিলোপ করে কাবিননামা সংশোধন করা এবং বরের বৈবাহিক অবস্থা-সম্পর্কিত কোনো ক্রমিক কাবিননামায় উল্লেখ করা হবে না তাও জানতে চাওয়া হয়। রুল শুনানির এক পর্যায়ে অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান কাবিননামায় মেয়েদের তথ্যর পাশাপাশি ছেলেরা বিবাহিত, অবিবাহিত বা তালাকপ্রাপ্ত কি না তা অন্তর্ভুক্তির জন্য সম্পূরক আবেদন করেন।

পরে আইনুন্নাহার সিদ্দিকা বলেন, কাবিননামার ফর্মের (বাংলাদেশ ফর্ম নম্বর-১৬০০ ও ১৬০১) পাঁচ নম্বর কলাম কেন বৈষম্যমূলক ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে কেন ‘কুমারী’ শব্দটি বিলোপ করে কাবিননামা সংশোধন করা এবং বরের বৈবাহিক অবস্থা-সম্পর্কিত কোনো ক্রমিক কাবিননামায় উল্লেখ করা হবে না তাও জানতে চাওয়া হয়েছিলো।

এ ছাড়া বিয়ের রেজিস্ট্রেশনের সময় উভয় পক্ষের ছবি কাবিননামায় কেন সংযুক্ত করা হবে না সে বিষয়েও জানতে চাওয়া হয়।

এই রুলের শুনানিতে এ বিষয়ে মতামত দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী বেলায়েত হোসেন।

ব্যারিস্টার বেলায়েত হোসেন পরে সাংবাদিকদের বলেন, ‘৫ নম্বর কলামে এটা থাকা উচিত না। কারণ ব্যক্তির  মর্যাদা ও গোপনীয়তাকে ক্ষু্ণ্ণ করে। যা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এছাড়া ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী এগুলো থাকা বাধ্যতামূলক নয়। মুসলিম শরীয়তে এধরণের শর্ত নেই।’

ওই অনুচ্ছেদটি বৈষম্যমূলক উল্লেখ করে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট, নারীপক্ষ এবং বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ২০১৪ সালেল ৭ সেপ্টেম্বর রিট আবেদনটি করে।

সংশ্লিষ্ট বিষয়

কাবিননামা কুমারী

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0188 seconds.