• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ২৫ আগস্ট ২০১৯ ১১:৫৫:১০
  • ২৫ আগস্ট ২০১৯ ১১:৫৬:৪৪
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

ধুলদীর সেতুতে ছিলো বাঁশের রেলিং

ছবি : সংগৃহীত

ফরিদপুর সদর উপজেলার ধুলদীতে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতু ভেঙে নিচে পড়ে যায়। এতে আটজন নিহত হন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সেতুটি ছিল জরাজীর্ণ। প্রশাসনের পক্ষ থেকে একে পরিত্যক্ত ঘোষণাও করা হয়। এর রেলিংয়ে ছিল বাঁশ। তারপরও বিকল্প সড়ক না রেখে পাশে আরেকটি সেতু তৈরি হচ্ছিল।

স্থানীয়দের মতে, সেতুর রেলিং মজবুত থাকলে হয়ত হতাহতের সংখ্যা কম হতো।

এ ঘটনায় নিহতদের মধ্যে পাঁচজন পুরুষ ও তিনজন নারী। তবে সবার নামপরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি।

বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত এ ঘটনায় নিহত দুজনের নাম-পরিচয় জানা গেছে। তাদের নাম হাবিবুর রহমান ও ফারুক হোসেন, তাদের দুজনের বাড়ি গোপালগঞ্জ এ।

শনিবার দুপুরে একটি যাত্রীবাহী বাস ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জ যাচ্ছিল। বাসটি সদর উপজেলার ধুলদি এলাকায় পৌঁছালে সেতুর ওপর একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে বাঁচাতে গিয়ে সামনে থাকা অপর একটি মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়। আর এতেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি সেতুর নিচে কুমার নদে পড়ে যায়।

বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসের ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) ফরিদপুরের সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট শিপ্রা গোস্বামী বলেন, ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মত ব্যস্ততম এ সড়কে জরাজীর্ণ রেলিং দেওয়া সেতুটি অবশ্যই ঝুঁকিপূর্ণ। শক্ত রেলিং থাকলে বাসটি সেতু থেকে ছিটকে নিচে পড়ত না।  আর এতে দুর্ঘটনার ভয়াবহতার মাত্রাও কম হতে পারত। 

সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী (ফরিদপুর) নকিবুল বারি জানান, সেতুটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। প্রায় এক বছর ধরে পাশেই আরেকটি সেতু নির্মাণের কাজ চলছে। যা প্রায় শেষের পথে।

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0199 seconds.