• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১২ আগস্ট ২০১৯ ০৯:৪৮:৪৩
  • ১২ আগস্ট ২০১৯ ০৯:৪৮:৪৩
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

হাতে মেহেদী লাগাতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার স্কুল ছাত্রী

ছবি : সংগৃহীত

চাঁদরাতে হাতে মেহেদি লাগাতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রী (১২)। ওই ছাত্রীকে ঘটনাস্থল থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে স্থানীয়রা। এদিকে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলেও অভিযুক্তদের এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

ওই ছাত্রীর পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, ভোলা সদর উপজেলার উপজেলার চর সামাইয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চর সিফলী গ্রামের কৃষক মো. হানিফ (৪০) ঈদ উপলক্ষে তার আদরের দুই মেয়ের জন্য বাজার থেকে মেহেদি কিনে আনেন। রবিবার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যার দিকে তাদের বাবা গরু বিক্রি করার টাকা আনতে ভোলা শহরে যান। বাবা শহরে চলে যাওয়ার পর দুই বোন রাত ৮টার দিকে পাশ্ববর্তী দুঃসর্ম্পকের আত্মীয় মাহফুজের স্ত্রীর কাছে হাতে মেহেদি দিয়ে সাজতে যায়। এ সময় আগে থেকে অপেক্ষমাণ মাহফুজের ঘরের ভাড়াটিয়া ভোলা আদালতের মুহুরী আল আমিন (২৫) ওই স্কুলছাত্রীকে ডেকে তার ঘরে নিয়ে যায়। এ সময় আলমিনের স্ত্রী ঘরে ছিল না। এ সুযোগে হঠাৎ করে ওই ছাত্রীকে আলামিন ও তার সহযোগী মঞ্জুর আলম (৩০) জাপটে ধরে হাত-পা ও মুখে কাপড় বেঁধে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে ছাত্রীর চিৎকারে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ধর্ষিতার পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে মুমূর্ষু অবস্থায় ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

ভোলা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মমিনুল ইসলাম ধর্ষণের আলামত পেয়েছেন বলে স্বীকার করে বলেন, ‘ধর্ষিতার বয়স কম হওয়ায় তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছে।’

ভোলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত আল আমিন ও মঞ্জুর আলমকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

সংশ্লিষ্ট বিষয়

ভোলা গণধর্ষণ

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0175 seconds.