• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১০ আগস্ট ২০১৯ ১৪:৪৪:৩০
  • ১০ আগস্ট ২০১৯ ১৪:৪৪:৩০
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

থানায় গণধর্ষণ: ওসিসহ ৫ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

উছমান গণি পাঠান। ছবি : সংগৃহীত

থানায় এক নারীকে গণধর্ষণের অভিযোগে খুলনা জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উছমান গণি পাঠানসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। শনিবার (১০ আগস্ট) ভুক্তভোগী সেই নারী বাদী হয়ে জিআরপি থানায় মামলাটি দায়ের করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাকশি থেকে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান ফিরোজ আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘আদালতের নির্দেশে এবং জেল গেট থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তিভোগী নিজেই এ মামলার বাদী। মামলায় জেলআরপি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), ঘটনার রাতের ডিউটি অফিসার এবং অজ্ঞাত আরও ৩ পুলিশকে আসামি করা হয়েছে। এ মামলার তদন্তকারী অফিসার পাকশি এসপি অফিস থেকে নির্ধারণ করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘নির্যাতন হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইন ২০১৩ এর ১৫ ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, ২ আগস্ট যশোর থেকে ট্রেনে খুলনায় আসার পথে খুলনা রেল স্টেশনে কর্তব্যরত জিআরপি পুলিশের সদস্যরা গৃহবধূকে মোবাইল চুরির অভিযোগে আটক করে। পরে রাতে জিআরপি থানায় আনা হয়। ওইদিন গভীর রাতে থানা হাজতে ওসি উছমান গনি পাঠানসহ ৫ পুলিশ সদস্য তাকে ধর্ষণ করে। 

পরদিন শনিবার তাকে ৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে খুলনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত ফুলতলায় প্রেরণ করা হয়। ৪ আগস্ট আদালতে জামিন শুনানীকালে জিআরপি থানায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণের বিষয়টি আদালতের সামনে তুলে ধরেন তিনি। এরপর আদালতের নির্দেশে সোমবার তার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। এ ঘটনায় পাকশী রেলওয়ে জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের নির্দেশে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

তদন্ত কমিটির প্রধান হলেন কুষ্টিয়া রেলওয়েসার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ফিরোজ আহমেদ এবং সদস্যরা হলেন কুষ্টিয়া রেলওয়ে সার্কেলের ডিআইও-১ পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) শ.ম. কামাল হোসেইন ও দর্শনা রেলওয়ে ইমিগ্রেশন ক্যাম্পের পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. বাহারুল ইসলাম। 

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0174 seconds.