• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ০২ আগস্ট ২০১৯ ১৫:০৬:১৯
  • ০২ আগস্ট ২০১৯ ১৫:০৬:১৯
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

শীর্ষ ১০ ওয়ালেট’র তালিকায় বাংলাদেশি ‌‌‘ডি মানি’

ছবি : সংগৃহীত

অ্যাপাক বিজনেজ হেডলাইনস ম্যাগাজিন ডি মানি বাংলাদেশ লিমিটেডকে এ বছরের সম্ভাব্য ‘শীর্ষ দশ ওয়ালেট’-এ তালিকাভুক্ত করেছে বলে বৃহস্পতিবার জানিয়েছে ডি মানি বাংলাদেশ।

শীর্ষ দশের এ তালিকায় দক্ষিণ এশিয়া থেকে স্থান পাওয়া একমাত্র ওয়ালেট ডিমানি। এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে প্রযুক্তি ও প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট খাতের প্রবণতা এবং এ খাতের সিআইও, সিএক্সও সহ নীতি-নির্ধারকদের মতামত ও প্রত্যাশা নিয়ে কাজ করে অ্যাপাক বিজনেস হেডলাইনস।

এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে ফিনটেক খাতে শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে এ ম্যাগাজিনের ইস্যুতে। কীভাবে ওয়ালেট প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের বিশেষত্ব, বিপণন কৌশল ও উদ্ভাবনী পণ্যের মাধ্যমে প্রযুক্তি খাতে শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠছে এ বিষয়ে আলোকপাত করেছে অ্যাপাক। তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ডিমানি ফিনটেক খাতে অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। অ্যাপাক বিজনেস হেডলাইনসে ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপান্তরে ডিমানির ভবিষ্যতের সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়। সিলিকন ভ্যালি ফেরত সোনিয়া বশির কবির ও আরিফ বশির ডিমানি সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রতিষ্ঠানটিতে চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছেন স্বনামধন্য উদ্যোক্তা অঞ্জন চৌধুরী।

প্রতিষ্ঠানটির ভাইস চেয়ারম্যান ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা সোনিয়া বশির কবির। ২০১৬ সালে বিল গেটসের কাছ থেকে সম্মানজনক ‘ফাউন্ডারস অ্যাওয়ার্ড’ পুরস্কার পান সোনিয়া বশির কবির। মাইক্রোসফটের এক লাখ কর্মীদের মধ্যে থেকে ১০ জনকে প্রতিবছর এ পুরস্কার দেয়া হয়। এ পুরস্কার জেতার পাশাপাশি, সোনিয়া বশির কবির ২০১৭ সালে জাতিসংঘের গ্লোবাল কমপ্যাক্টের বৈশ্বিকভাবে ‘টেকসই উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করা ১০’ জনের একজন বলেও স্বীকৃতি লাভ করেন।

তিনি বলেন, ‘একটি দেশকে অনুন্নত দেশের থেকে মধ্যম আয়ের দেশে আরোহণের ক্ষেত্রে ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি (পেমেন্ট সুবিধা অন্যতম বিবেচনায়) খুবই গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি।’ প্রতিষ্ঠানটির সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ বশির বলেন, ‘বাংলাদেশের বাজার অনেক বড়, কিন্তু সুবিধাবঞ্চিত। এ মুহূর্তে ডিজিটাল লাইফস্টাইল ও আর্থিক সেবার সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। এ চ্যালেঞ্জকে সামনে নিয়ে এ চাহিদা পূরণই ডিমানির লক্ষ্য। ডিমানি ইকোসিস্টেম ও অংশীদার তৈরিতে কাজ করবে এবং নগদ অর্থ থেকে ডিজিটাল রূপান্তরে বাধা দূরীকরণেও প্রতিষ্ঠানটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

সংশ্লিষ্ট বিষয়

ডি মানি’ ওয়ালেট

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0208 seconds.