• ৩১ জুলাই ২০১৯ ১৯:৩১:৩১
  • ৩১ জুলাই ২০১৯ ১৯:৩১:৩১
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

ছাত্রলীগের বর্ধিত সভায় ব্যাপক উত্তেজনা

ছবি : সংগৃহীত

ঢাবি প্রতিনিধি :

ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় কমিটির বিভিন্ন পদের নেতা ও জেলাসমূহের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের ফোন রিসিভ না করা এবং তাদের সঙ্গে যথাযথ যোগাযোগ রক্ষা না করার অভিযোগ উঠেছে। এতে বর্ধিত সভায় উপস্থিত কেন্দ্রীয় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের সাথে কেন্দ্রীয় কমিটির নেতার উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। এতে সভায় চরম উত্তেজনা দেখা যায়।         

জানা যায়, মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) বিকেল চারটায় পূর্বনির্ধারিত বর্ধিত সভায় উপস্থিত হন কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা। এর আগে গত ২৮ জুলাই ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক আহসান হাবিব স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে অবস্থিত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা জানানো হয়।

কিন্তু বিকেল চারটায় বর্ধিত সভা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং সাধারন সম্পাদক গোলাম রাব্বানী সঠিক সময়ে উপস্থিত হতে পারেননি। চারটার সভায় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসেন ৬টায়, আর সভাপতি আসেন ৬ টা ৪৫ মিনিটে। ফলে নির্ধারিত সময়ের অন্তত তিন ঘণ্টা পর সন্ধ্যা ৭টা থেকে বর্ধিত সভা শুরু হয়। দেরি করে সভা শুরু করায় কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

সভা শুরুর পর নাম ও পদের অস্পষ্টতা থাকায় দেখা দেয় উত্তেজনা। একই পদে একাধিক নেতার নামের মিল থাকায় এবং ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা না দেওয়ায় তারা বাকযুদ্ধে জড়িয়ে পরেন। 

সূত্র জানায়, আরিফ হোসেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক পদের দাবিদার ৪ জন, ফজলে রাব্বি খান নামে সহ-সম্পাদক পদের দাবিদার দুইজন এবং মেহেদী হাসান নামে উপ ক্রীড়া সম্পাদক পদের দাবিদার দুইজন। তারা সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে এ সমস্যার সমাধান চেয়েছেন। 

তাদের অভিযোগের জবাবে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী বলেন, যে চিঠি পাবে, সে ব্যতীত অন্য কেউ পদের দাবি করলে তার নামে মামলা করে দিও।

তিনি আরো বলেন, সকলের চিঠিতে স্বাক্ষর থাকবে। আগের মতো ফটোকপি চিঠি দেয়া হবে না।

সভার এক পর্যায়ে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ আনেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি সৈকতুজ্জামান সৈকত। তিনি সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আপনারা কেন্দ্রীয় নেতা এবং জেলার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের ফোন রিসিভ করেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।’

তবে কেন্দ্রীয় নেতার এমন প্রশ্নের কোনো উত্তর দিতে পারেন নি ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0210 seconds.