• বাংলা ডেস্ক
  • ২৬ জুলাই ২০১৯ ১৪:১১:৪২
  • ২৬ জুলাই ২০১৯ ১৪:১১:৪২
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাসাইলামের চেষ্টা করছেন প্রিয়া সাহা

প্রিয়া সাহা। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বিতর্কিত অভিযোগকারী বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের বরখাস্ত সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহা যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাসাইলামের চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে।

গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য বর্তমানে কানাডায় অবস্থানকারী বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন তিনি। তাদের মধ্যে ঠেলিফোনে আলাপ হয় বলে জানা গেছে। সাবেক প্রধান বিচারপতি সিনহার ঘনিষ্ঠজনেরা টেলিফোন-আলাপের উদ্ধৃতি দিয়ে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘প্রিয়া সাহা যুক্তরাষ্ট্র অথবা কানাডায় বসতি গড়তে চান।

জানা গেছে, এ ক্ষেত্রে তার কর্মজীবী স্বামীর প্রসঙ্গ উঠেছিল। প্রিয়া বলেছেন তাকে কেউ স্পর্শ করতে পারবে না। সবার দৃষ্টি রয়েছে তার প্রতি।’  প্রিয়া সাহা বর্তমানে নিউইয়র্কে তার এক আত্মীয়ের বাসায় অবস্থান করছেন। পছন্দের লোক ছাড়া কারো সঙ্গে কথা বলেন না এবং ফোনও রিসিভ করেন না।

প্রসঙ্গত, গত বুধবার হোয়াইট হাউসে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহার দেওয়া বক্তব্যকে ঘিরে তোলপাড় চলছে।

সেখানে আমন্ত্রিত চীন, তুরস্ক, উত্তর কোরিয়া, মিয়ানমারসহ ১৬টি দেশে সাম্প্রদায়িক নিপীড়নের শিকার একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে কথা বলছিলেন ট্রাম্প।

এ সময় প্রিয়া সাহা নিজেকে বাংলাদেশি পরিচয় দিয়ে বলেন, ‘স্যার, আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি। সেখানকার ৩ কোটি ৭০ লাখ সংখ্যালঘু হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ‘নিখোঁজ হয়ে গেছে। দয়া করে বাংলাদেশি জনগণকে সাহায্য করুন। আমরা দেশ ছাড়তে চাই না, থাকতে চাই।

ট্রাম্প তখন বলেন, “বাংলাদেশ?” জবাবে হ্যাঁ সূচক জবাব দিয়ে ওই বাংলাদেশি নারী আরও বলেন, “এখনো সেখানে ১ কোটি ৮০ লাখ সংখ্যালঘু মানুষ থাকে। আমার অনুরোধ, দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন। আমরা দেশ ছাড়তে চাই না। সেখানে থাকতে আমাদের সহযোগিতা করুন। আমি আমার বাড়ি হারিয়েছি। তারা বাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে। আমার জমি ছিনিয়ে নিয়েছে। কিন্তু কোনো বিচার হয়নি।”

তখন ট্রাম্প জিজ্ঞাসা করেন, “কে জমি নিয়ে গেছে?” উত্তরে প্রিয়া সাহা বলেন, “মুসলিম মৌলবাদী সংগঠনগুলো। তারা সবসময় রাজনৈতিক আশ্রয় পেয়ে আসছে।”

পরে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এবিসি নিউজের একটি ভিডিওতে প্রিয়া সাহার কথোপকথনের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এ নিয়ে বাংলাদেশে বিভিন্ন মহলে নানা ধরনের সমালোচনা-আলোচনা শুরু হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই ভিডিওকে কেন্দ্র করে নানা মন্তব্য করেন অনেকেই।

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0289 seconds.