• বিদেশ ডেস্ক
  • ২২ জুলাই ২০১৯ ১৫:৩৫:০৪
  • ২২ জুলাই ২০১৯ ১৫:৩৫:০৪
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

‘আমি আমার বহু কোটি টাকার ব্যবসা গোপন রেখেছি’

মার্সেন কেলিসিজনিজকি। ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বে বিভিন্ন ধরণের ব্যবসায়ী রয়েছেন যারা ভিন্নভাবে তাদের প্রোফাইল তৈরি করে থাকেন। আর এ ধরণের ব্যবসায়ীদের সম্পর্কে তুলে ধরা হয় বিবিসির সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান ‘দ্যা বিগ সিরিজ’এ। দ্যা বিগ সিরিজের এমনই এক পর্বে বিবিসি ‘মার্সেন কেলিসিজনিজকি’ সম্পর্কে তুলে ধরেন। যিনি যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক সফটওয়্যার কোম্পানি ‘ম্যালওয়্যার বাইটস’ এর প্রতিষ্ঠাতা।

তাদের শুধু মাত্র কয়েক মুহূর্তের জন্য মনে হয়েছিল যে, তারা কিছু করতে যাচ্ছে। এরপর ঘটল অবিশ্বাস্য কিছু। মার্সেন কেলিসিজনিজকির এটা মনে হয়েছিল যখন তিনি তার ছাত্র ডিগস এর সাথে একটি অ্যান্টিভাইরাস ব্যবসা সম্পর্কে আলোচনা করছিলেন।

পরে সে ২০০৮ সালের শেষের দিকে তার কোম্পানি ‘ম্যালওয়্যার বাইটস’ এর কাজ শুরু করেন। এবং তিনি এরই মধ্যে সাইবার সিকিউরিটি বিশ্বে বেশ সুনাম কুড়িয়েছেন।

মার্সেন তার ১৮ বছর বয়সে তার কম্পিউটারে ভাইরাসের কারণে প্রথম বাধার সম্মুখীন হন। যখন তিনি ইলিনয়িস বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতেন।

আমি কম্পিউটারে ভাইরাস থাকার কারণে সত্যি খুব সমস্যায় পড়েছিলাম বলেন মার্সেন। আমি সে সময় দেখি হঠাৎ করেই আমার কম্পিউটারের স্কীনটা সাদা হয়ে যায় এবং সেখানে ভেসে ওঠে ‘তুমি বিদ্বেষপরায়ণ কিছু প্রবেশের চেষ্টা করায় তোমার ডেক্সটপকে বিশ্ববিদ্যালয় নেটওয়ার্ক থেকে নিষিদ্ধ করা হলো, বলেন তিনি।

পরে তিনি বলেন, মজার বিষয় হলো এটা ইচ্ছাকৃত ছিল! আমি এবার এ সমস্যা সমাধানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে আইটি হেল্পলাইনে ফোন করি। তারা আমার রুমে একটি ছেলেকে পাঠায়, যার বয়স আমার থেকে বেশি ছিল না। ছেলেটি আমার কম্পিউটারে কাছে বসে এটি দেখল এবং বলল ‘তুমি সত্যি ভালোই সমস্যায় পড়েছ’।

এরপর সে আমার ওয়েবসাইটে ঢুকলেন এবং ম্যালওয়্যার বাইটস ওয়েবসাইটে লগইন করলেন এবং সফটওয়্যার ডাউনলোড করলেন।

আমি কিছু বললাম না। আমি তার পেছনে দাড়িয়ে দেখতে লাগলাম, কম্পিউটারটি কিছু সময়ের মধ্যে পুনরায় নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হলো। সে চলে গেল। কিন্তু সে জানতেও পারল না আমি কে ছিলাম। আমি সে মুহূর্তটাকে অনেক উপভোগ করেছিলাম। সত্যি এটা ছিল অসাধারণ এক অনুভূতি, বলেন মার্সেন।

এরপর তিনি ২০১২ সালে কম্পিউটার সাইন্সে ডিগ্রি অর্জন করে। এরপর সে ম্যালওয়্যার বাইটস ব্যবসায়ে কাজ শুরু করেন এবং কয়েক মিলিয়ন ডলার লাভ করেন এক বছরে। তার কোম্পানিতে এখন কর্মী রয়েছেন সাড়ে সাত শ’র ও বেশি।

এখন মার্সেনের কোম্পানি বছরে ১২৬ মিলিয়নের বেশি ডলার আয় করেন। এবং বিশ্বে তার কয়েক মিলিয়ন গ্রাহক রয়েছে।

মার্সেল ১৯৮৯ সালে পোল্যান্ডে জন্ম গ্রহণ করেন। এরপর মার্সেলের পরিবার যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে যখন মার্সেলের বয়স মাত্র তিন।

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0248 seconds.