• বিদেশ ডেস্ক
  • ১৪ জুলাই ২০১৯ ২১:৫৯:২৯
  • ১৪ জুলাই ২০১৯ ২২:০৩:০৫
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

ওবামার প্রতি ক্ষোভ ইরানের উপর ঝেড়েছেন ট্রাম্প

ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত সাবেক ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের বিশ্বাস ছিল কেবলমাত্র পূর্বসূরী বারাক ওবামার প্রতি বিদ্বেষের কারণেই ইরানের সঙ্গে করা পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বের করে নিয়ে আসেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।  সম্প্রতি রাষ্ট্রদূতের ফাঁস হওয়া ইমেইল থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

রবিবার ব্রিটিশ পত্রিকা ডেইলি মেইল ওয়াশিংটনে নিযুক্ত সাবেক ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত কিম ড্যারোচের ফাঁস হওয়া বেশ কিছু নথি প্রকাশ করে। ২০১৮ সালে পাঠানো এরকম একটি স্মারকলিপিতে ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি ছিন্ন করার জন্য ওবামার প্রতি ট্রাম্পের বিদ্বেষ পরায়ণতাকেই দায়ী করেছেন তিনি।

ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত এটিকে ‘কূটনৈতিকভাবে ক্ষতিকর’ একটি পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেন। তৎকালীন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন ওয়াশিংটন সফর করার পর এই স্মারকলিপি লেখা হয়। অবশ্য জনসনের সেই সফর ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। কারণ তিনি ইরানের পারমাণবিক চুক্তি ছিন্ন না করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে রাজি করাতে ওই সফর করেছিলেন।

ড্যারোচ লিখেন, ট্রাম্প প্রশাসন কূটনৈতিকভাবে ক্ষতিকর কাজ করছে। তাদের এই কাজ দেখে মনে হচ্ছে, আদর্শগত এবং ব্যক্তিগত কারণে ওবামার চুক্তির বিরোধিতা করছে তারা।

কিম ড্যারোচের ফাঁস হওয়া ওই নথিতে ট্রাম্প প্রশাসনকে অকার্যকর এবং নিষ্ক্রিয় হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন তিনি। এই ঘটনার জের ধরে গত সপ্তাহে তাকে পদত্যাগ করতে হয়েছে। এছাড়া হোয়াইট হাউজও তার সঙ্গে কাজ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প টুইটারে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে ‘আত্মম্ভরী বোকা’ বলে বর্ণনা করেন।

এদিকে ব্রিটিশ পুলিশ কিম ড্যারোচের নথি ফাঁসের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের হন্যে হয়ে খুঁজে বেড়াচ্ছে। এছাড়া এইসব নথি সংবাদপত্রে প্রকাশ করাকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে বলে সাংবাদিকদের সতর্ক করে দিয়েছে।

যদিও ব্রিটেনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দাবিদার বরিস জনসন এবং জেরেমি হান্ট এসব নথি প্রকাশ করাকে গণমাধ্যমের অধিকার বলে উল্লেখ করেছেন।

ব্রিটিশ কর্মকর্তারা জানান, হ্যাকিং এর মাধ্যমে নথিগুলো ফাঁস হয়েছে এরকম কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। রাজনীতিক কিংবা লন্ডনে নিযুক্ত সরকারি কর্মকর্তাদের কেউ এগুলো ফাঁস করেছেন বলেই তাদের ধারণা।

ব্রিটিশ পুলিশ রাষ্ট্রদূতের নথি ফাঁসের ঘটনাকে সরকারী গোপনীয়তা আইনের লংঘন হিসেবে তদন্ত করে দেখছে। এই আইন অনুযায়ী গোপন নথিপত্র ফাঁস করার ব্যাপারে সরকারী কর্মকর্তাদের উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এই আইন ভঙ্গ করলে সর্বোচ্চ সাজা হিসেবে দুই বছর কারাভোগ করতে হবে।

বাংলা/এফকে

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0221 seconds.