• ১১ জুলাই ২০১৯ ১৮:১৬:৪৯
  • ১১ জুলাই ২০১৯ ১৮:১৬:৪৯
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

বাড়ছে পানি, ডুবছে নিম্নাঞ্চল

ছবি : বাংলা

রাজীবপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি :

গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলার ব্রহ্মপুত্র ও সোনাভরি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে উপজেলার নিম্নাঞ্চলের ফসলি জমি ও গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

অব্যাহত পানি বৃদ্ধির ফলে উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের ২০টি গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ বন্যার ঝুঁকিতে আছে। গৃহপালিত গবাদি পশু-পাখি নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিপদে আছে মানুষ। বৃষ্টি হওয়ায় ঘরের বাইরে নেয়া যাচ্ছে না আবার ঘরেও রাখা যাচ্ছে না। আক্রান্ত হচ্ছে নানা রোগ ব্যাধিতে।

উপজেলার আজগর দেওয়ানী পাড়া গ্রামে সোনাভরী নদী সংলগ্ন গ্রামে দেখা দিয়েছে নদী ভাঙন। আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে ৩০টি পরিবার। ওই গ্রামের মাজম আলী বলেন, ‘পানির স্রোত এহন কম তাই ভাঙন বন্ধ আছে স্রোত শুরু হইলেই নদী আবার ভাঙবো।’

সদর ইউনিয়নের মদনের চর গ্রামের লালমিয়া (৪৫) বলেন, ‘বাড়ির চারপাশে পানি এহনও পানি বাড়ছে। পাট নিয়া বিপদে আছি যদি পানির স্রোতে যদি জাগ ভেসে যায়।’

কোদালকাটি ইউনিয়নের আমিনুর রহমান বলেন, ‘পানি এখনো বাড়ছে বৃষ্টিও অব্যাহত রয়েছ। নিচু জমি গুলোতে চিনা কাউনসহ কিছু সবজি জাতীয় ফসল ছিল সেগুলো ডুবে গেছে।’

বুধবার বিকেলে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, চিলমারী পয়েন্টে ৩৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি এখনো পেয়ে বিপদসীমার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কুমার প্রণয় বিষান দাস বলেন, ‘নদী তীরবর্তী বিভিন্ন ধরনের ৩০ একরের মত ফসলি জমি পানিতে ডুবে গেছে। দ্রুত পানি নেমে গেলে কোনো ক্ষতি হবে না।’

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আকবর হোসেন হিরো জানান, অতিবৃষ্টির কারণে এই বন্যার প্রাদূর্ভাব দেখা দিয়েছে। উপজেলা প্রশাসন থেকে সকল প্রকার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

রাজীবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান বলেন, ‘নদ নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে উপজেলার নদী অববাহিকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। আমরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের সতর্ক থাকতে বলেছি। জেলা প্রশাসন থেকেও সকল প্রস্তুতি রাখা হয়েছে বন্যা মোকাবেলায়।’

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0196 seconds.