• ১০ জুলাই ২০১৯ ১৯:০০:৪৪
  • ১০ জুলাই ২০১৯ ১৯:৩২:৩১
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

ধর্ষণের শাস্তি কোন দেশে কেমন?

প্রতীকী ছবি

যে শব্দটা উচ্চারণ করতেই কেমন লাগে সবসময়, এখন সেই শব্দটা সবার মুখে মুখে। বীভৎস সব ঘটনা। এখন ধর্ষণ প্রতিরোধের জন্য রাস্তায় মানববন্ধন হচ্ছে। কেমন যেন মহামারি আকার ধারণ করতে চলেছে। আগে দেখা যেত দুই এক শ্রেণির মানুষের মধ্যেই এই জঘন্য কাজটি সীমাবদ্ধ ছিল। আর এখন দেখছি সকল শ্রেণি এগিয়ে এসেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজ-স্কুল-কোচিং এর শিক্ষক, মাদ্রাসার শিক্ষক, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি, বাসের ড্রাইভার-টিকিট কালেক্টর, পাশের বাড়ির সকল বয়সের প্রতিবেশী ইত্যাদি ইত্যাদি। নিজের ঘরের মধ্যেই বাচ্চারা নিরাপদ থাকছে না। কতটা অসভ্য হয়ে যাচ্ছি আমরা!

ধর্ষকদের কাউন্সিলিং করে কোন লাভ হবে না। জেল জরিমানায় ছাড়া পেলে, সম্ভাব্য ধর্ষকদের কাছে নতুন কোন বার্তা পৌছায় না। এজন্য প্রয়োজন দ্রুত কঠোর বিচার। অভিযোগ থাকলে প্রমাণ করতে হবে সাত দিনের মধ্যে। আর অভিযোগ প্রমাণিত হলে শাস্তি কার্যকর করতে হবে আরও দ্রুত সময়ের মধ্যে। ধর্ষককে হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্টের সুবিধা বন্ধ করে দেওয়া যায় কিনা, সেটাও বিবেচনা করা উচিত।

প্রকাশিত তথ্য মতে কয়েকটি দেশের ধর্ষণের বিচারের উদাহরণ আমরাও বিবেচনা করে দেখতে পারি। যেমন-

 চীন: ধর্ষণ প্রমাণ হলেই আর কোনও সাজা নয়, বিশেষ অঙ্গ কর্তন এবং সরাসরি মৃত্যুদণ্ড। অন্য কোন শাস্তি নেই।

 ইরান: ধর্ষককে ফাঁসি, না হয় সোজাসুজি গুলি করা হয়। এভাবেই ধর্ষককে এদেশে শাস্তি দেওয়া হয়।

 আফগানিস্থা: ধর্ষণ করে ধরা পড়লে চার দিনের মধ্যে ধর্ষকের মাথায় সোজা গুলি করে মারা হয়।

 উত্তর কোরিয়া: অভিযোগ, গ্রেফতার আর তারপর অভিযোগ প্রমাণ হলে গুলি করে হত্যা করা হয়।

 সৌদি আরব: জুম্মার নামাযের পর ধর্ষককে প্রকাশ্যেই শিরশ্ছেদ করা হয়।

 সংযুক্ত আরব আমিরাত: সাত দিনের মধ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

 সৌদি আরব: শুক্রবার জুম্মার নামাজ শেষে জনসমক্ষে শিরশ্ছেদ করা হয়।

 মঙ্গোলিয়া: ধর্ষিতার পরিবারের হাত দিয়ে ধর্ষককে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

 মিশর: ধর্ষককে জনসমক্ষে ফাঁসি দেওয়া হয়।

উপরের দেশগুলোতে ধর্ষণের মাত্রাও খুব কম। মৃত্যুদণ্ডের মত ভালো ঔষধ আর হতে পারে না। এর দুটি ভালো দিক আছে। এক. বর্তমান অপরাধী নির্মূল করে। দুই. একই অপরাধের জন্য নতুন অপরাধী খুবই কম তৈরি হয়।

আমাদের ভেতর লুকিয়ে থাকা কিংবা বসবাস করা অসভ্য, বর্বর মানুষগুলোকে দ্রুত বিচারের আওতায় না আনলে, আরও নতুন অসভ্য শ্রেণি তৈরি হবে। দেশকে এই পচনের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য ধর্ষকের দ্রুত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া উচিত। কারণ অনেক অপরাধীর কাছে জেলখানা অনেক নিরাপদ একটা জায়গা।

লেখক: উপ-পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলা/ এএএ

সংশ্লিষ্ট বিষয়

ধর্ষণ শাস্তি

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0198 seconds.