• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ০৬ জুলাই ২০১৯ ২১:১৮:০৭
  • ০৬ জুলাই ২০১৯ ২১:১৮:০৭
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

সংঘর্ষের পর জাবিতে বেড়েছে মিষ্টি খাওয়া!

ছবি : সংগৃহীত

গত বুধবার (৩ জুলাই) মিষ্টি খাওয়া নিয়ে কথা কাটাকাটিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) মাওলানা ভাসানী হল ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। ওই সংঘর্ষে ছাত্র, শিক্ষক, সাংবাদিকসহ অন্তত ৮০ জন আহত হয়েছিলেন।

এদিকে ওই সংঘর্ষের পর ক্যাম্প্যাসে মিষ্টি খাওয়া বেড়ে গেছে। এমন কথাই জানালেন মিষ্টি বিক্রেতা আব্দুল হক বেলাল (৬০)। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় তিনি গত ৪৭ বছর ধরে দোকান করছেন। সেদিন তার দোকানে মিষ্টি খাওয়া নিয়ে সংঘর্ষের শুরু।

মিষ্টি বিক্রেতা আব্দুল হক বেলাল বলেন, ‘আগে এক কেজি মিষ্টি বিক্রি করতে এক-দুই দিন লেগে যেত। কিন্তু এখন দিনে কয়েক কেজি মিষ্টি বিক্রি করতে পারছি। শুধু শিক্ষার্থী না এখন আমার দোকানে স্যারেরাও আসছেন। দুইদিন ধরে ক্যাম্পাসের বাইরে থেকেও প্রচুর মানুষ এসে মিষ্টির খোঁজ করছে।’

তবে শুধু মিষ্টি বিক্রি নয়, সংঘর্ষের পর বেড়েছে বিড়ম্বনাও। তিনি বলেন, ‘মিষ্টির বিক্রির জন্য এভাবে পরিচিতি পেয়ে যাব বুঝতে পারিনি। এখন সবাই আমাকে খোঁজে। বাড়িতে ফোন করে বলে বেলাল ভাই কই! সেদিন পোলা স্কুল থেকে কল করে কইল; বাবা কী হলো সবাই তোমাকে নিয়ে কী বলে। মিষ্টি নিয়ে কী হলো? তখন আমি তারে বললাম, নাহ তেমন কিছু হয়নি। এখন বিরক্ত হয়ে মোবাইল বন্ধ করে রাখি। না হলে বাড়িতে সবাই উৎকণ্ঠায় থাকে আবার কখন কী হয়ে যায়।’

সেদিন সংঘর্ষের কথা স্মরণ করে বেলাল মিয়া বলেন, ‘ছোট্ট বিষয় নিয়ে এতকিছু হয়ে যাবে আমি বুঝতে পারিনি। আগে বুঝতে পারলে আমি ওদেরকে বলে সব সমাধান করে দিতাম। কিন্তু বুঝে ওঠার আগেই কত কিছু হয়ে গেল। মারামারিতে কত শিক্ষার্থী আহত হলো। এটাতে খুব খারাপ লেগেছে। বিশ্ববিদ্যালয় ভালো থাকলে আমরাও ভালো থাকি। আমরা চাই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সবাই ভালো থাকুক। আর কোনো গ্যাঞ্জাম ফ্যাসাদ না হোক।’

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0183 seconds.