• বিদেশ ডেস্ক
  • ০৬ জুলাই ২০১৯ ২০:১৯:৫৬
  • ০৬ জুলাই ২০১৯ ২০:২৫:০৯
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

‘জয় শ্রীরাম’ এখন মারধরের স্লোগান : অমর্ত্য সেন

নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। ছবি : আনন্দবাজার থেকে নেয়া

ভারতের চলমান সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনায় মুখ খুললেন দেশটির নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান পশ্চিমবঙ্গে ইদানিংকালের আমদানি। এমনকি বঙ্গ সংস্কৃতিতে এধরনের স্লোগানের জায়গাও ছিলো না। ‘লোককে প্রহার করতে হলে এখন এ সব বলা হচ্ছে’ বলে মন্তব্য করেন এই অর্থনীতিবিদ।

শুক্রবার বিকেলে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে তার স্মৃতিতে কলকাতা’ বিষয়ক আলোচনা সভায় বক্তৃতাদান কালে তিনি এসব কথা বলেন। এমন খবর প্রকাশ করে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা আনন্দবাজার।

অমর্ত্য সেন বলেন, ‘বাংলায় এসব ইদানীংকালের আমদানি। বঙ্গসংস্কৃতিতে কোনো কালেই এধরনের স্লোগানের কোনো জায়গা ছিল না। আজ যখন শুনি বিশেষ বিশেষ সম্প্রদায়ের মানুষ ভীত, শঙ্কিত হয়ে রাস্তায় বেরোন এই শহরে, তখন আমার গর্বের শহরকে চিনতে পারি না। এসব নিয়ে প্রশ্ন তোলা দরকার।’

তার মতে, ‘একসময় হিন্দু মহাসভা এধরনের সংস্কৃতির আমদানি ঘটানোর চেষ্টা করেছিল বাংলায়। বিভেদের রাজনীতির বাতাবরণ তৈরি করার চেষ্টা করেছিল। এখন বিজেপি ঠিক সেই একই উদ্দেশ্যে বাংলায় জয় শ্রীরাম সংস্কৃতির আমদানি ঘটানোর চেষ্টা করছে।’

এদিন সকালে অন্য এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বঙ্গ সংস্কৃতি এবং হিন্দুত্ববাদের ‘আস্ফালন’ নিয়ে অমর্ত্য সেন  বলেছিলেন, ‘যখন শুনি কাউকে রিক্সা থেকে নামিয়ে কিছু একটা বুলি আওড়াতে বলা হচ্ছে এবং তিনি বলেননি বলে মাথায় লাঠি মারা হচ্ছে, তখন শঙ্কা হয়। বিভিন্ন জাত, বিভিন্ন ধর্ম, বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে পার্থক্য আমরা রাখতে দিতে চাই না। ইদানীং এটা বেড়েছে।’

বক্তৃতা শেষে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি বলেন, জয় শ্রীরাম, রাম নবমী এসব কোনো কিছুর সঙ্গেই বাঙালির কোনো যোগ নেই। এখানে দুর্গাপুজো হয়। বস্তুত, নতুন এই সংস্কৃতি আমদানির পিছনে বিভেদের রাজনীতি কাজ করছে বলে ইঙ্গিত করেন অমর্ত্য সেন।

বাংলা/এনএস

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0220 seconds.