• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ০৫ জুলাই ২০১৯ ১২:৫৪:৩৮
  • ০৫ জুলাই ২০১৯ ১২:৫৪:৩৮
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

সলঙ্গা থানাকে উপজেলা করার দাবি

ছবি : বাংলা

বৃটিশ বিরোধ আন্দোলনের সূতিকাগার ‘রক্তাক্ত সলঙ্গা’ খ্যাত সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানাকে উপজেলা করার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সলঙ্গা সোসাইটি, ঢাকা।

শুক্রবার (০৫ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। মানববন্ধনে বক্তারা মওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশের স্মৃতিবিজরিত ঐতিহাসিক সলঙ্গাকে উপজেলা করার দাবি জানান। এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলামের কাছে জোড় দাবি জানান। এ ব্যাপারে সিরাজগঞ্জের সংসদ সদস্যদের কার্যকর ভূমিকা রাখারও অনুরোধ জানান।

বক্তারা বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও মোহাম্মদ নাসিমসহ অনেক রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সলঙ্গােকে উপজেলা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সর্বশেষ সদ্য বিদায়ী স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনও সিরাজগঞ্জে সফরে গিয়ে হাজার হাজার মানুষের সামনে সলঙ্গাকে উপজেলা করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসেন। গত ২৬ জুন সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. আব্দুল আজিজ সলঙ্গাকে উপজেলা করার দাবি জাতীয় সংসদে উত্থাপন করেন।

এর আগেও সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক এমপি আমজাদ হোসেন মিলন ও সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক এমপি শফিকুল ইসলাম সলঙ্গা উপজেলা করার দাবি জাতীয় সংসদে তুলেছিলেন। রায়গঞ্জের ৩ টি ও উল্লাপাড়ার ৩ টি মোট ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত সলঙ্গা প্রশাসনিক থানাকে আমরা আমরা দ্রুত উপজেলা হিসেবে দেখতে চাই।

বক্তারা বলেন, বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের সূতিকাগার সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা। যা ‘রক্তাক্ত সলঙ্গা’ বা ‘সলঙ্গা বিদ্রোহ’ নামে পরিচিত। ১৯২২ সালে মওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশের নেতৃত্বে বৃটিশ পণ্য বর্জনের কর্মসূচি পালনের সময় পুলিশের গুলিতে সরকারি হিসাবেই সাড়ে ৪ হাজার মানুষ নিহত হন। উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার এই সলঙ্গাকে ২০০১ সালে থানায় রূপান্তর করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। রায়গঞ্জ উপজেলার ৩ টি এবং উল্লাপাড়ার ৩ টি মোট ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে (ঘুড়কা, নলকা, ধুবিল, সলঙ্গা, হাটিকুমরুল ও রামকৃষ্ণপুর। এই ৬ ইউনিয়নে জনসংখ্যা পৌনে তিন লাখ থেকে তিন লাখ) গঠিত এই সলঙ্গা থানা ভৌগলকিভাবে অনেকগুরুত্বপূর্ণ। এই থানা দুই দিক দিয়ে মহাসড়ক চলে গেছে। যেগুলো রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬ জেলা এবং খুলনা বিভাগের ৩-৪ টি জেলার মানুষ যাতায়ত করে। এছাড়া সলঙ্গা থানা সিরাজঞ্জের ঠিক মাঝখানে অবস্থিত।

বক্তারা আরো বলেন, ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলেও বরাবরই এই সলঙ্গা অবহেলিতই রয়ে গেছে। ২০-৩০ কিলোমিটার অতিক্রম করে উল্লাপাড়া ও রায়গঞ্জে গিয়ে প্রশাসনিকসহ নানা কার্যক্রম চালাতে হয়। এতে প্রতিনিয়ত জনগণকে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0209 seconds.