• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ২৮ জুন ২০১৯ ১৫:১০:০৬
  • ২৮ জুন ২০১৯ ১৫:১০:০৬
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

রিফাতের স্ত্রীর নিরাপত্তায় পুলিশ মোতায়েন

আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। ছবি : সংগৃহীত

বরগুনা সদরে প্রকাশ্য দিবালোকে হত্যাকাণ্ডের শিকার রিফাত শরীফের স্ত্রীর নিরাপত্তায় পুলিশ পাহারা বসানো হয়েছে। রিফাতের শ্বশুরবাড়িতে এ পুলিশ প্রহরা বসানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে ওই বাড়িতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে বরগুনা জেলা পুলিশসূত্রে জানা গেছে। রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিসহ তার পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য অস্ত্রধারী চার পুলিশ সদস্যকে তার বাড়িতে মোতায়েন করা হয়েছে।

মিন্নির চাচা মো. আবু সালেহ জানান, রিফাত শরীফ খুন হওয়ার পর থেকেই মিন্নি ও তার পরিবারের সদস্যরা হুমকির সম্মুখীন হয়। এ হত্যাকাণ্ডে জড়িতরা মিন্নির পরিবারকে নানাভাবে হুমকি দিয়ে আসছে। এ কারণে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য পুলিশের কাছে আবেদন করা হয়। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মিন্নিদের বাড়িতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

নিহত রিফাত শরীফের বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলার ৬নং বুড়িরচর ইউনিয়নের বড় লবণগোলা গ্রামে। তার বাবার নাম আ. হালিম দুলাল শরীফ। মা-বাবার একমাত্র সন্তান ছিলেন রিফাত।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্ত্রী মিন্নিকে বরগুনা সরকারি কলেজে নিয়ে যান রিফাত। কলেজ থেকে ফেরার পথে মূল ফটকে নয়ন, রিফাত ফরাজীসহ আরও দুই যুবক রিফাত শরীফের ওপর হামলা চালান। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে রিফাত শরীফকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন তারা। রিফাত শরীফের স্ত্রী মিন্নি দুর্বৃত্তদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু কিছুতেই হামলাকারীদের থামানো যায়নি। তারা রিফাত শরীফকে উপর্যুপরি কুপিয়ে রক্তাক্ত করে চলে যান। পরে স্থানীয় লোকজন রিফাত শরীফকে গুরুতর আহতাবস্থায় উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে রিফাত শরীফের মৃত্যু হয়।

নিহতের পরিবার জানায়, রিফাতকে কুপিয়ে হত্যায় অংশ নেয় নয়ন বন্ডসহ ৪-৫ জন। রিফাতের সঙ্গে দুই মাস আগে পুলিশলাইন সড়কের আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির বিয়ে হয়। বিয়ের পর নয়ন মিন্নিকে তার প্রেমিকা দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর পোস্ট দিতে থাকেন।

রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বলেন, নয়ন প্রতিনিয়ত আমার পুত্রবধূকে উত্ত্যক্ত করত এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর পোস্ট দিত। এর প্রতিবাদ করায় আমার ছেলেকে নয়ন তার দলবল নিয়ে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0192 seconds.