• বিদেশ ডেস্ক
  • ২৩ জুন ২০১৯ ২১:২১:১৩
  • ২৩ জুন ২০১৯ ২১:২১:১৩
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

ইরানের 'বেস্ট ফ্রেন্ড' হতে চান ট্রাম্প

ছবি : সংগৃহীত

ইরান যদি পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে নিজেদের বিরত রাখে তাহলে ভবিষ্যতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটির 'বেস্ট ফ্রেন্ড' বা ভালো বন্ধুতে পরিণত হবেন এবং ইরানও সমৃদ্ধশালী একটি দেশে পরিণত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ট্রাম্প।   

শনিবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের বাইরে সাংবাদিকদের বলেন,‘ তারা পারমাণবিক অস্ত্রের জন্য কোন উদ্যোগ নেবে না।  আমরাও চাই না ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকুক। ’

তিনি বলেন,‘ তারা যখন এই ব্যাপারে সম্মত হবে তারা সমৃদ্ধশালী একটি দেশে পরিণত হবে।  তখন তারা সুখী হবে এবং আমি তাদের ভালো বন্ধুতে পরিণত হবো।  আমি আশা করছি এটাই যেন হয়। ’  

ট্রাম্পের এই মন্তব্যের ব্যাপারে মার্কিন রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং অ্যাকটিভিস্ট মাইলেজ হোয়েনিং ইরানের প্রেস টিভিকে বলেন,‘ আপনি যে বিষয়টি(পারমাণবিক অস্ত্র) কখনো শুরুই করেননি, তার হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার চেষ্টা করা বেশ কঠিনই বলা যায়। ’  

তিনি জানান, ট্রাম্পের হোয়াইট হাউস যারা যুদ্ধ চায় এবং যারা শান্তির পথে হাঁটতে চায় তাদের মধ্যে আটকে আছে।   

তিনি বলেন, ‘এটা খুবই পরিহাসের বিষয় যে ট্রাম্পকে শান্তির প্রণেতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।  অথচ যুক্তরাষ্ট্রে তিনি বিদ্বেষকে উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছেন। ’

এদিকে আকাশ সীমা লংঘনের অপরাধে হরমুজ প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি নজরদারি ড্রোনকে বৃহস্পতিবার গুলি করে ভূপাতিত করায় ইরানের সমালোচনা করলেও, দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি যাত্রীবাহী বিমানকে ভূপাতিত না করায় তাদের প্রশংসা করেন ট্রাম্প। 

প্রসঙ্গত, ট্রাম্পের এই মন্তব্যের একদিন আগেই ইরান জানিয়েছিল, মার্কিন ড্রোনকে ভূপাতিত করার সময় সেখানে একটি যাত্রীবাহী বিমানও ছিল।  ওই বিমানে ৩৮ জন যাত্রী ছিল।  কিন্তু ইরানের রেভুলিউশন গার্ড সেটিকে গুলি করা থেকে বিরত ছিল।  

ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘ গতকাল সেখানে ৩৮ জন যাত্রীসহ একটি বিমানও ছিল, আপনারা কি সেটি খেয়াল করেছেন? আমি মনে করি এটি অনেক বড় একটি ব্যাপার।  এটি তাদের চোখের সামনেই ছিল। কিন্তু তারা সেটিকে গুলি করে ভূপাতিত করেনি।  আমি মনে করি, এটি না করে তারা বিবেচকের মত কাজ করেছে।  এজন্য আমরা তাদের প্রশংসা করি। ’  

উল্লেখ্য, গত শতাব্দীতে ইরানে ইসলামি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে বৈরী সম্পর্কের সূত্রপাত ঘটে। তবে ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা নতুন করে বাড়তে থাকে।  ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে করা পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন। এবং গত বছর দেশটির উপর নতুন করে অবরোধ আরোপ করেন।

বাংলা/এফকে

 

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0208 seconds.