• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ২৩ জুন ২০১৯ ২০:১৮:৪৩
  • ২৩ জুন ২০১৯ ২০:২১:৫২
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

'ভ্যাট যুক্ত হলে গ্রাহক হারাবে ই-কমার্স'

ছবি : সংগৃহীত

অনলাইনে কেনাকাটায় ভ্যাট আরোপ করলে বেশি দামে মানুষ অনলাইনে কেনাকাটা করতে চাইবে না বলে ই-কমার্স গ্রাহক হারিয়ে স্থবির হয়ে পড়বে এবং ডিজিটাল বৈষম্য তৈরি করবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে এই খাত সংশ্লিষ্টরা।

প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে রবিবার (২৩ জুন) ই-কমার্স খাতের ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে এক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এই সময় তারা এই আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে ই-কমার্সের যে কোনো অনলাইন পণ্য কেনাবেচায় ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হয়েছে।

আলোচনায় ছিলেন, ই-ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওয়াহেদ তমাল এবং ই-ক্যাবের অর্থসম্পদ আব্দুল হক অনু।

আলোচনায়  আরো উপস্থিত  ছিলেন, আজকের ডিলের প্রধান নির্বাহী ফাহিম মাশরুর, প্রিয়শপ ডটকমের প্রধান নির্বাহী আশিকুল আলম খান, চালডাল ডটকমের সিইও জিয়া আশরাফ, সহজ ডটকমের মালিহা কাদের এবং রকমারি ডটকমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান সোহাগ।

ফাহিম মাশরুর, ভারতের থেকে আমরা ই-কমার্সে ১০০ গুণ পিছিয়ে আছি। ভারতে প্রতিদিন অনলাইনে কেনাকাটা করেন ৫০ লাখ মানুষ। আমাদের দেশে অনলাইনে প্রতিদিন কেনাকাটা করে ৪০-৫০ হাজার মানুষ। ভ্যাট যুক্ত হলে আমাদের গ্রামীণ উদ্যোক্তারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

তিনি বলেন, ‘ভার্চুয়াল বিজনেস বা ডিজিটাল কমার্সের উপর ভ্যাট শূন্য শতাংশ থেকে বেড়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ হয়েছে, যা বিকাশমান এই খাতের অগ্রগতির জন্য অন্তরায়। আমরা বিকাশমান এই খাতের জন্য অন্তত আগামী ৩ বছরের জন্য পুনরায় ভ্যাট অব্যাহতির দাবি জানাই।’

ই-কর্মাস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) এর সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুল ওয়াহেদ তমাল বলেন, ‘আমাদের সংগঠনে এক হাজার সদস্য রয়েছে। আমরা ই-কমার্স সেক্টর বলতে শুধু অনলাইনে ব্যবসা পরিচালনা করছে, তাদের বোঝাতে চাচ্ছি। ডিজিটাল মার্কেটিং এক ধরনের ই-কর্মাস। আমরা শুধু যারা অনলাইনে ব্যবসা করছি, তাদের ভ্যাটমুক্ত করার দাবি জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মার্কেট অন্যান্য মার্কেটের চেয়ে আলাদা। প্রত্যন্ত অঞ্চলে পণ্য পাঠালে যে খরচ হয়, তা এখনও বেশি। এ ব্যবসার আকার বাড়লে এসব সহজলভ্য হবে। ক্রেতাদের ডিজিটালি আগ্রহ তৈরি করতে পারলে এখাত আরও বড় হবে।’

প্রিয়শপের সিইও আশিকুর রহমান খান বলেন, ‘আমাদের দেশের মানুষ অনলাইনে কেনাকাটায় অভ্যস্থ হতে শুরু করেছে। অনলাইনে কেনাকাটায় ভ্যাট আরোপ করলে বেশি দামে মানুষ আর অনলাইনে কেনাকাটা করতে চাইবে না। ই-কমার্স গ্রাহক হারাবে। ক্রমবর্ধমান এ খাত স্থবির হয়ে পড়বে।’

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রিয়শপ ডটকম, বাগডুম ডটকম, আজকের ডিল ডটকম, অথবা ডটকম, চালডাল ডটকম, হাংরিনাকি ডটকম, রকমারি ডটকম, পিকাবু ডট কম, সেবা এক্সওয়াইজেড, সহজ ডটকম, ই-ভ্যালি, ডেলিগ্রাম, কর্মকর্তারা।

বাংলা/এসি/এনএস

সংশ্লিষ্ট বিষয়

ই-কমার্স বাজেট শুল্ক

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0228 seconds.