• বিদেশ ডেস্ক
  • ১৮ জুন ২০১৯ ২২:৪৪:৫০
  • ১৮ জুন ২০১৯ ২২:৪৪:৫০
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

ইস্তাম্বুলে মুরসির জানাজায় হাজারো মানুষের প্রার্থনা

ছবি : সংগৃহীত

তুরস্কের ইস্তাম্বুলে মিশরের প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসির গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় হাজার হাজার মুসল্লি উপস্থিত থেকে মুরসির জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন।  মঙ্গলবার এই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

তুরস্কের ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ দিয়ানেত এই গায়েবানা জানাজার আয়োজন করেছিল। মঙ্গলবার তুরস্কের ৮১টি প্রদেশে এই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। ইস্তাম্বুলের ফাতিহ মসজিদে অনুষ্ঠিত জানাজায় হাজার হাজার মুসল্লির সঙ্গে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ানও অংশগ্রহণ করেছিলেন।

এসময় এরদোয়ান মুরসির মৃত্যুর জন্য মিশরের অত্যাচারী শাসক আব্দেল ফাত্তাহ আল সিসিকে দায়ী করেন।  তিনি মুরসিকে ‘শহীদ’ বলে উল্লেখ করেন। প্রসঙ্গত, সোমবার মিশরের একটি আদালতে হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যান মোহাম্মদ মুরসি। এসময় তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানেই তিনি মারা যান।

তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান মুরসির একনিষ্ঠ সমর্থক।  মুরসিকে তাড়াহুড়ো করে এবং গোপনীয়তার সঙ্গে কবর দেয়ার জন্য তিনি মিশরের কর্তৃত্ববাদী শাসকের ব্যাপক সমালোচনা করেন। প্রসঙ্গত, কায়রোয় মুরসির পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে তাকে কবর দেয়া হয়। এসময় মিশরের সাধারণ জনগণকে সেখানে উপস্থিত হয়ে তাকে সম্মান জানাতে দেয়া হয়নি।

এরদোয়ান বলেন, ‘তারা এতই কাপুরুষ যে তারা তার(মুরসি) মরদেহও তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেনি।’ 

দিনের পর দিন কারাগারে মুরসি অত্যাচারিত হচ্ছিলেন তারপরেও পশ্চিমা নেতারা এই ব্যাপারে নীরবতা অবলম্বন করে এসেছিলেন। এরদোয়ান পশ্চিমাদের সমালোচনা করে বলেন, ‘আমি পশ্চিমা দুনিয়া এবং মানবতার নিন্দা জানাচ্ছি।  অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তার ক্ষমতাচ্যুতি এবং কারাগারে তার অত্যাচার তারা কেবলই দেখে গেছে।’

উল্লেখ্য, তুরস্কের ক্ষমতাসীন একে পার্টি মুরসির সরকারের সমর্থক ছিল। ২০১৩ সালে সেনা অভ্যুত্থানে মুরসির পতনের পর মুসলিম ব্রাদারহুডকে নিষিদ্ধ করে মিশরের তৎকালীন সেনা শাসক সিসি। এরপর ব্রাদারহুডের বহু সদস্য এবং সমর্থক তুরস্কে পালিয়ে যায়।

বাংলা/এফকে

 

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0205 seconds.