• বিদেশ ডেস্ক
  • ১২ জুন ২০১৯ ২০:৩৭:১৯
  • ১২ জুন ২০১৯ ২০:৩৭:১৯
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

সৌদি বিমানবন্দরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ছবি : সংগৃহীত

সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি বিমানবন্দরে ইয়েমেনের শিয়া বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। বুধবার এই হামলার ঘটনা ঘটে।

সৌদি আরবের আল আরাবিয়া টেলিভিশনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি প্রচার করা হয়। এতে হুতিদের দ্বারা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কথা স্বীকার করা হয়।  বিবৃতিতে জানানো হয় সৌদি আরবের আবহা বিমানবন্দরে হুতি বিদ্রোহীরা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে। এতে বেশ কিছু ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক আহতও হয়েছেন। আহতদের মধ্যে তিনজন নারী এবং দুইজন শিশু রয়েছে।  আহতরা সৌদি আরব, ইয়েমেন এবং ভারতীয় নাগরিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সৌদি জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল মালকি সৌদি প্রেস এজেন্সিতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানান, আবহা বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আহতদের ৮ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।  বাকি ১৮ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পরে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।  

এদিকে ইয়েমেনে যুদ্ধরত সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের পক্ষ থেকে হুতিদের এই হামলার কঠিন জবাব দেয়া হবে বলে জানানো হয়।  

এর আগে হুতি নিয়ন্ত্রিত ইয়েমেনের মাসিরাহ টিভিতে সৌদি আরবের আবহা বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কথা জানানো হয়।  সৌদি এই বিমানবন্দরটি ইয়েমেন সীমান্ত থেকে ২০০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত। আঞ্চলিক এবং অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচলের জন্য এই বিমানবন্দরটি ব্যবহৃত হয়।

সৌদি জোটের পক্ষ থেকে বলা হয়, আবহা বিমানবন্দরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রমাণ করে তারা ইরান থেকেই উন্নত অস্ত্র পেয়ে আসছে।  এছাড়া এই হামলাকে যুদ্ধাপরাধ বলেও উল্লেখ করা হয়। সৌদি জোট হুতিদের প্রতি ইরানের সমর্থনের কথা বার বার বলে আসছে। যদিও ইরান এই অভিযোগ বরাবরই প্রত্যাখ্যান করে এসেছে।     

এদিকে মঙ্গলবার হুতি সামরিক বাহিনীর একজন মুখপাত্র সৌদি জোটের প্রতি হুমকি দিয়ে বলেছেন, তারা সৌদি আরবের প্রতিটি বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে হামলা চালাবেন এবং সামনের দিনগুলোতে সৌদিদের জন্য আরো বড় বিস্ময় অপেক্ষা করছে বলে জানান তিনি।  প্রসঙ্গত, শিয়া মতাবলম্বী হুতিদের বিরুদ্ধে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বিগত চার বছর ধরেই ইয়েমেনে লড়াই করে আসছে। এর ফলে দরিদ্র ওই দেশটি ব্যাপক মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছে।  

বাংলা/এফকে

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0196 seconds.