• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১২ জুন ২০১৯ ১৯:৫৩:২৮
  • ১২ জুন ২০১৯ ১৯:৫৩:২৮
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

টেলিকমের সেবা নিয়ে বিরক্ত বিটিআরসির চেয়ারম্যান

ছবি : সংগৃহীত

মোবাইল ফোনে আসা বিজ্ঞাপন, এসএমএস ও কলে টেলিকম প্রতিষ্ঠানের প্রতি গ্রাহকের অভিযোগ অনেক দিনের। এবার বিজ্ঞাপন, এসএমএস ও কল নিয়ে বিরক্ত প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক।

এই সময় বিষয় যাতে বিরক্তির কারণ না হয়,  কিভাবে এর সমাধান করা যায় সে বিষয়ে মোবাইল ফোন অপারেটরদের তৎপর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান।

গণশুনানিতে গ্রাহকেরা ইন্টারনেটের ধীরগতি, প্যাকেজের দাম বেশিসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন। একাধিক গ্রাহক মোবাইল ফোনে ভয়েস কল ও এসএমএসে আসা বিজ্ঞাপনের বিষয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেন।  
 
গ্রাহকদের মতো বিটিআরসি চেয়ারম্যানও বলেন, বিজ্ঞাপন নিয়ে কম বেশি সবাই বলেছেন। এটা আমারও কথা। …আমিও বিব্রত হই। কীভাবে সমস্যা সমাধান হয় সে ব্যাপারে তৎপর হন।

তিনি বলেন, আগে সপ্তাহে ৫ দিন ৮ ঘণ্টা করে ফোনের মাধ্যমে অভিযোগ নেয়া হতো, এখন গ্রাকদের কথা মাথায় রেখে আমরা ২৪ ঘণ্টা সেবা দিবো। আগে শুধু ভয়েসকলের মাধ্যমে অভিযোগ নেয়া হত এখন ওয়েবসাইটের মাধ্যমেও অভিযোগ নেয়া হবে।

আরো বলেন, আজকের গণশুনানিতে আমরা কিছু অভিযোগ ও মতামত শুনলাম। কিছু অভিযোগের বিষয় এখানেই সমাধানের কথা বলা হয়ছে। আর বাকিগুলো আমরা তদন্ত করে দ্রুতই এর সমাধান দেয়া হবে।

মোবাইল অপারেটরদের উদ্দেশ্য করে বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান বলেন, আজকের গণশুনানিতে সকল টেলিকম প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীরা উপস্থিত আছেন, আপনারা শুনছেন গ্রাহকগণ কি কি সমস্যায় আছে। আশা করি এইগুলো সমাধানেও আপনারাও কাজ করবেন। অনেকের বলেন আমরা আপনাদের হয়ে কাজ করি। আসলে আমরা আইন যেভাবে চলতে বলে আমরা সেভাবেই কাজ করি।

টেলিকম সেবা নিয়ে রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (আইইবি) অডিটরিয়ামে‘ টেলিযোগাযোগ সেবা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যক্রম’ শীর্ষক এই গণশুনানি হয় আজ ( ১২ জুন) ।

বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হকের উপস্থিতিতে গণশুনানি পরিচালনা করেন সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগের মহাপরিচালক এবিএম হুমায়ুন কবির।

উল্লেখ্য, টেলিযোগাযোগ সেবা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যক্রম নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো গণশুনানির আয়োজন করল বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0193 seconds.