• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১২ জুন ২০১৯ ১৩:৩৫:২৪
  • ১২ জুন ২০১৯ ১৭:৫৯:২১
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

যেকোনো সময় গ্রেপ্তার হবেন ওসি মোয়াজ্জেম : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন। ছবি : সংগৃহীত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘ফেনীর সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের দেশেই আছে। তার দেশের বাইরে যাওয়ার সব পথ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সে যেকোনো সময় গ্রেপ্তার হবে।’

বুধবার (১২ জুন) কারা অধিদপ্তরে উদ্ভাবনী মেলা ও শোকেসিং ২০১৯ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনকে ধরা যাচ্ছে না বিষয়টা ঠিক না। তার বাইরে যাওয়ার সব পথ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আর যেকোনো মুহূর্তে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে।’

এ সময় আলোচিত পুলিশের ডিআইজি মিজান প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চান সাংবাদিকরা। জবাবে তিনি বলেন, ‘ডিআইজি মিজান ঘুষ কেন দিয়েছে? নিশ্চয়ই তার কোনো দুর্বলতা আছে। তা না হলে সে ঘুষ কেন দেবে? দুর্বলতা ঢাকতে সে ঘুষ দিয়েছে। ঘুষ দেয়া-নেয়া দুটোই অপরাধ। ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে আগের অভিযোগের ভিত্তিতে বিচার এখনও প্রক্রিয়াধীন।’

তিনি বলেন, ‘এমনিতেই ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে একটি তদন্ত চলছে। এরমধ্যে আবার ঘুষ কেলেঙ্কারি। এ কেলেঙ্কারি যাচাই-বাছাই করে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে গত ৬ এপ্রিল পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করেন তার মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। এর দিন দশেক আগে নুসরাত মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ জানাতে সোনাগাজী থানায় যান। থানার তৎকালীন ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন সে সময় নুসরাতকে আপত্তিকর প্রশ্ন করে বিব্রত করেন এবং তা ভিডিও করে ছড়িয়ে দেন। ওই ঘটনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হলে আদালতের নির্দেশে সেটি তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পিবিআই গত ২৭ মে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিলে ওই দিনই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। পরোয়ানা জারির দুই দিন পর মোয়াজ্জেম হোসেন হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনাল গত ২৭ মে পরোয়ানা জারি করেন। ৩১ মে পরোয়ানার চিঠি ফেনীর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে পৌঁছায়। কিন্তু পুলিশ সুপার কাজী মনির-উজ-জামান বারবার বিষয়টি অস্বীকার করতে থাকেন। একপর্যায়ে ৩ জুন রাতে পরোয়ানা হাতে পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন তিনি। এর দুইদিন পর বিশেষ বার্তাবাহকের মাধ্যমে পরোয়ানা রংপুর রেঞ্জে পাঠানো হয়। এখন আবার রংপুর রেঞ্জ বলছে, কাজটি বিধি মোতাবেক হয়নি। তবে এরপরও তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। এমনকি তিনি আত্মসমর্পণও করেননি।

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0208 seconds.