• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ২৯ মে ২০১৯ ২১:৪৮:০৪
  • ২৯ মে ২০১৯ ২১:৪৮:০৪
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

পিবিআইর চূড়ান্ত প্রতিবেদন

হত্যা নয়, আত্মহত্যাই করেছিলেন মডেল রাউধা

রাউধা। ছবি : সংগৃহীত

রাজশাহীর বহুল আলোচিত ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজের ছাত্রী ও মডেল কন্যা রাউধা আতিফ আত্মহত্যা মামলার দীর্ঘ তদন্ত শেষে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। বুধবার বিকেলে রাজশাহীর মূখ্য মহানগর আদালতে এই প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাজশাহী পিবিআই’র উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইদুর রহমান আদালতে এ মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। হত্যা নয়, আত্মহত্যাই করেছিলেন রাউধা- চূড়ান্ত এই প্রতিবেদনেও একই কথা উল্লেখ করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাজশাহী পিবিআই’র উপ-পরিদর্শক সাইদুর রহমান, ২০১৮ সালের ১৮ আগস্ট রাউধা আত্মাহত্যার মামলাটি অধীক তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন আদলাত। এরপর থেকে তদন্ত শুরু করে পিবিআই। তকে মামলার দীর্ঘ তদন্তে মডেল কন্যা রাউধা আত্মহত্যা করেছেন বলেই তথ্য মেলে। এ ঘটনায় হত্যার কোনো আলামত মেলেনি বলেও উল্লেখ করেন চাঞ্চল্যকর এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

এসআই বলেন সাইদুর রহমান, প্রেম বিচ্ছেদের কারণেই আত্মহত্যা করেছেন রাউধা। তার শেষ রিসিভ করা ফোনকল ছিল তার বয়ফ্রেন্ড শাহী ঘনির। তার পাঠানো শেষ ম্যাসেজ ছিল ‘ইউ কিলড মি। আই ফিল ডেড। (আমার আর কিছুই থাকল না)।’

এর আগে রাজশাহী ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজের ছাত্রী ও মডেলকন্যা রাউধা আতিফের ভিসেরাসহ গুরুত্বপূর্ণ তিনটি প্রতিবেদন চেয়ে পাঠায় মালদ্বীপ দূতাবাস। এরপর চাঞ্চল্যকর এই আত্মহননের মামলার তদন্ত সংস্থা পিবিআই’র রাজশাহী কার্যালয় থেকে এসব কাগজপত্র পাঠানো হয়।

পিবিআই রাজশাহী কার্যালয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ জানান, মডেল কন্যা রাউধা যে আত্মহত্যাই করেছিল সেটা পিবিআই’র তদন্তেও পাওয়া গেছে। তারা রাউধার আত্মহত্যার তদন্ত কাজ শেষ করে বুধবার এ ঘটনায় আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।

এদিকে, পুলিশ ও সিআইডিসহ অন্যান্য সংস্থার তদন্ত কার্যক্রম শেষে পঞ্চম বারের মত এ বিষয়ে তদন্ত কাজ চালাচ্ছিল পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট পিবিআই। রাউধা রাজশাহীর ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন।

এর আগে ২০১৭ সালের ২৯ মার্চ ইসলামী ব্যাংক মেডিকেলের ছাত্রী হোস্টেল থেকে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তার মৃত্যুর পর থেকেই শাহ মখদুম থানা পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ ও  সিআইডি তদন্ত কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল। প্রতিটি সংস্থার তদন্তেই তার আত্মহত্যার কথা উল্লেখ করা হয়। তবে রাউধার বাবা মোহাম্মদ আতিফ বারবারই এই আত্মহতার প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে আসছিলেন। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে রাউধার বাবা ডা. মোহাম্মদ আতিফের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত মামলাটি তদন্ত করার জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট বিষয়

রাউধা আতিফ

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0235 seconds.