• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ২৯ মে ২০১৯ ১৯:৫৩:২১
  • ২৯ মে ২০১৯ ১৯:৫৩:২১
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

ইউপি সদস্যের গলা কেটে নেয়ার হুমকি দিলেন ইউএনও

মাহাবুব উল করিম ও জয়নাল হাজারী। ছবি : সংগৃহীত

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহাবুব উল করিমের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্যের গলা কেটে নেয়ার হুমকি দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া তিনি উজানটিয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জয়নাল হাজারীকে 'শুয়ারের বাচ্চা' বলে অশ্লীল ভাষায় গালিগালিও করেন।

অভিযোগকারী ইউপি সদস্যর কাছে ফোনে গালিগালাজ ও গর্দান কেটে নেয়ার হুমকির অডিও রেকর্ড সংরক্ষিত আছে।

শনিবার (২৫ মে) ইউপি সদস্যের নিকটাত্মীয় অ্যাডভোকেট মীর মোশারফ হোছাইন টিটু তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ‘পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক একজন মেম্বারকে শুয়ারের বাচ্চা বলে গর্দান কেটে নেওয়ার হুমকি। নিরাপত্তাহীনতায় মেম্বার’ এমন স্ট্যাটাস পোস্ট করার পর থেকে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। বিষয়টি প্রকাশ হলে ইউএনও ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার জন্য দৌড়ঝাঁপ শুরু করেন।

এ নিয়ে অভিযোগকারী ইউপি সদস্য বলেন, ‘গত ৭ মে তার ব্যক্তিগত মুঠোফোনে পেকুয়ার ইউএনও মাহাবুব উল করিমকে ফোন করেন। এ সময় কিছু বুঝে ওঠার আগেই ইউএনও স্যার আমাকে শুয়োরের বাচ্চাসহ আরো অশ্লীল গালিগালাজের পাশাপাশি গর্দান কেটে নেয়ার হুমকি দেন।’

তিনি আরো জানান, ইউএনওর মুখে এ ধরনের ভাষা শুনে হতবাক হয়ে যান তিনি। ঘটনার পর থেকে বিষয়টি নিয়ে আপস মীমাংসার জন্য ইউএনও বিভিন্ন উপায়ে তাকে চাপ দিচ্ছেন।

এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট মীর মোশারফ হেছাইন টিটু বলেন, ‘কয়েক দিনের মধ্যেই ভুক্তভোগী ইউপি সদস্য এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে ইউএনওর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করবেন।’

স্থানীয় মানবাধিকার কর্মী মামুনুর রশিদ মামুন জানান, পেকুয়ার ইউএনওকে উক্ত অপরাধের জন্য দ্রুত অপসারণ করতে হবে। অন্যথায় পেকুয়াবাসীকে শিগগিরই আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

এ বিষয়ে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কামাল হোসেনের বলেন, ‘পেকুয়ার ইউএনওর বিষয়টি খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য  অভিযুক্তো ইউএনও মাহাবুব উল করিমের মুঠো ফোনে বেশ কয়েকবার করলেও ফোনটি রিসিভ হয়নি।

জানা গেছে, উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে মাহাবুব উল করিম উক্ত উপজেলায় যোগদান করার পর থেকে স্থানীয় শিক্ষক, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধিসহ নানা শ্রেণি পেশার মানুষ বিভিন্ন সময় তার দুর্ব্যবহারের শিকার হয়েছেন।

বাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0179 seconds.