• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ২৬ মে ২০১৯ ২০:৪৭:৪৬
  • ২৬ মে ২০১৯ ২০:৪৭:৪৬
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

এনবিআরে ছয় দফা দাবিতে বিড়ি শ্রমিকদের মানববন্ধন

ছবি : সংগৃহীত

কুটির শিল্প ঘোষণা ও ভারতের ন্যায় প্রতি হাজার বিড়িতে ১৪ টাকা করারোপসহ ৬ দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশন।

রবিবার সকাল ৯টায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর)সামনে এ মানববন্ধন করেন তারা। মানববন্ধন শেষে এনবিআরের চেয়ারম্যান বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করেন বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের নেতারা।

ফেডারেশনের যুগ্ম-সম্পাদক হারিক হোসেনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য প্রদান করেন সভাপতি এম কে বাঙ্গালী, কার্যকরী সভাপতি আমিন উদ্দীন বিএসসি, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান প্রমুখ। মানববন্ধনে সারাদেশ থেকে হাজারেরও বেশি বিড়ি শ্রমিক অংশগ্রহণ করেন।

ফেডারেশনের সভাপতি এম কে বাঙ্গালী বলেন, দেশে ধূমপান থাকলে বিড়ি থাকবে। সিগারেটকে রেখে বিড়ি ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র কোনভাবে মেনে নেয়া হবে না। ২০১৯-২০ অর্থ বছরের বাজেটে বিড়ির উপর কর বৃদ্ধির পাঁয়তারা করা হলে বিশ লক্ষাধিক বিড়ি শ্রমিক নিয়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলব। চর, নদীভাঙ্গন ও মঙ্গা অঞ্চলের বেকার মানুষের কর্মসংস্থানের কথা চিন্তা করে বিড়ির উপর কর কমানোর জন্য এনবিআর চেয়ারম্যানকে অনুরোধ করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, শ্রমজীবী মানুষের একমাত্র আশ্রয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়ে সুদৃষ্টি দিবেন বলে আশা করি।

মানববন্ধনে সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বলেন, গত ১৬ বছর ধরে বিড়ি শিল্প বৈষম্যের শিকার। এ কারণে এই শিল্পের শ্রমিক, কারখানা প্রতিনিয়ত কমে যাচ্ছে। অসহায় হয়ে পড়ছে লাখ লাখ শ্রমিক। বিশেষ করে নদী ভাঙ্গন এলাকা, মঙ্গা অধিভুক্ত এলাকা যেখানে বেলে মাটিতে তামাক ছাড়া অন্য ফসল হয় না সেখানকার চাষী, ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা নিদারুন দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে। অথচ পাশের দেশ ভারত বিড়ি শিল্পকে সুরক্ষার জন্য কুটির শিল্প ঘোষণা দিয়েছে।

তিনি আরো বলেন, দেশে বিড়ি বন্ধ করলে পাশের দেশ ভারত ও মিয়ানমার হতে চোরাচালানের মাধ্যমে দেশে বিড়ি ঢুকবে। এতে সরকার রাজস্ব হারাবে, বিড়ি শ্রমিকরা হারাবে তাদের দুমুঠো ভাতের যোগাড়। অসহায় হয়ে পথে বসবে নিরীহ বিড়ি শ্রমিকরা।

মানববন্ধনে ছয় দফা দাবি তুলে ধরেন কার্যকরী সভাপতি আমিন উদ্দীন বিএসসি। দাবীসমূহ হলো, ১. ভারতের মতো বিড়ি শিল্পকে কুটির শিল্প ঘোষণা করতে হবে। ২. চর, নদীভাঙ্গন ও মঙ্গা অঞ্চলের বেকার মানুষের কর্মসংস্থানকে সহজ করার জন্য বিড়িকে করমুক্ত ঘোষণা করতে হবে। ৩. বিড়ি শ্রমিক সুরক্ষার আইন তৈরী করতে হবে। ৪. নিন্ম ও মধ্যম স্তরের সিগারেট একীভূত করে সমমূল্যে করতে হবে। ৫. উচ্চ স্তরের সিগারেটের মূল্য অধিকহারে বৃদ্ধি করতে হবে। ৬. বিড়ি শিল্পকে ধ্বংস করার পায়তারা বন্ধ করতে হবে।

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0219 seconds.