• বাংলা ডেস্ক
  • ২৪ মে ২০১৯ ১৪:১৩:২৪
  • ২৪ মে ২০১৯ ১৪:১৩:২৪
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

‘ইউরোপিয়ান ইসলাম’ গঠনের দাবি জার্মান রাজনীতিবিদের

ইয়েন্স স্পান ও ডানিয়েল গ্যুন্টার। ছবি : ডয়েচে ভেলে থেকে নেয়া

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ গুলো থেকে পালিয়ে শরনার্থী হিসেবে আশ্রয় নিয়েছে ইউরোপে। ব্যাপক এই মুসলিম শরনার্থীর চাপ ইউরোপের দেশ গুলোর জন্য মাথা-ব্যথার কারণ হয়ে দেখা দিয়েছে। কারণ এসব শরনার্থীরা তাদের সাথে করে নিয়ে আসা ইসলাম ধর্মীয় মূল্যবোধ, যা ইউরোপের সংস্কৃতির সাথে সাংঘর্ষিক।

এ সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য তারা পথ খুঁজছেন। আর সেই রকমের একটি উপায়ের নাম ‘ইউরোপিয়ান ইসলাম’। জার্মানির স্বাস্থ্য মন্ত্রী ইয়েন্স স্পান এবং শ্লেসভিগ-হোলস্টাইন রাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ডানিয়েল গ্যুন্টার ‘আমাদেরকে ইউরোপীয় ইসলাম গঠনের বিষয়ে মনোযোগী হতে হবে’ শিরোনামে একটি প্রবন্ধ লিখেছেন।

মূলত ইসলামকে ইউরোপের সংস্কৃতির অংশ হিসেবে গড়ে তুলতে ‘ইউরোপিয়ান ইসলাম’ গঠনের দাবি জানান এ দুই জার্মান রাজনীতিবিদ। দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যম রাইনিশে পোস্টে প্রকাশিত এক প্রবন্ধে তারা এ দাবি জানান।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত সেই প্রবন্ধ ধরে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে জার্মান ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা ডয়েচে ভেলে।

প্রবন্ধটিতে এ দুই রাজনীতিবিদ বলেন, ‘ইউরোপে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। প্রগতিশীল ইসলাম গঠনের বিষয়ে জোর দিয়ে তারা মত প্রকাশ করেন। ইউরোপের সমাজ-সংস্কৃতিতে অন্তর্ভুক্তির জন্য একটি প্রগতিশীল ধারার ইসলাম প্রতিষ্ঠা প্রয়োজন।’

জার্মানির এ দুই প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ বলেন, ‘প্রতিক্রিয়াশীল, নারীবিদ্বেষী ইসলামকে মেনে নেয়ার পরিবর্তে আমাদেরকে ইউরোপের ঢংয়ের ইসলামের বিকাশকে ত্বরান্বিত করা উচিত।’ ইউরোপিয়ান ধারার ইসলামের বিষয়টিকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তারা বলেন, ‘এটি ইউরোপের মূল্যবোধ ও স্বাধীনতার বিষয়টিকে ধারণ করবে।’ 

প্রবন্ধে ইউরোপের জীবন ব্যবস্থা, সংস্কৃতি, জীবনমান, ইউরোপের সমাজে অন্য সংস্কৃতিকে অন্তর্ভুক্তিকরণসহ নানা বিষয়ে নিয়ে তারা আলোচনা করেন।

সেখানে শরণার্থীদের আশ্রয় দেয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে ইউরোপে মুসলিম মেয়েদের বোরকা পরার বিষয়ে তারা বলেন, ‘মেয়েদের বোরকা পরে স্কুল-কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার বিষয়টিকে আমাদের থামানো উচিত৷’      

প্রবন্ধে একটি সুন্দর সমাজ গঠনের জন্য সকলের ‘অন্তর্ভুক্তিকরণ’ খুব গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বলা হয়, শরণার্থীদের প্রত্যাবসনের বিষয়টি ঠিক মতো করা না গেলে এটি স্থানীয়দের জীবন যাপনের উপর বোঝা হয়ে দাঁড়ায়৷

উল্লেখ্য, এই দুই রাজনীতিবিদ ক্ষমতাসীন দল সিডিইউর সদস্য। তবে ইয়েন্স স্পান নিজ দলে রক্ষণশীল হিসেবে পরিচিত আর ডানিয়েল গ্যুন্টারের উদারপন্থি রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিতি আছে।

বাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0190 seconds.