• ২২ মে ২০১৯ ২০:০০:২৯
  • ২২ মে ২০১৯ ২০:০০:২৯
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন

রাবি উপাচার্যকে পাঠানো লিগ্যাল নোটিশের প্রতিবাদ

ছবি : সংগৃহীত

রাবি প্রতিনিধি :

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম আব্দুস সোবহানের অপসারণ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের পাঠানো লিগ্যাল নোটিশের প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী নাগরিক সমাজ’।

এর আগে গত ১৫ মে রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর মো. আবদুল হামিদের অনুমতি ছাড়া উপাচার্য পদ থেকে নিজ বিভাগে যোগদান, অন্যজনকে উপাচার্য নিয়োগ, বেতন উত্তোলন এবং নিজ সম্পর্কিত বিষয়ে নিজেই সিন্ডিকেটের সভাপতিত্ব করাসহ কয়েকটি অভিযোগ এনে অধ্যাপক সোবহানকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়টির কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী সালমান ফিরোজ ফয়সালের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুহা. মুজাহিদুল ইসলাম উপাচার্য, রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারকে এ নোটিশ পাঠান। নোটিশ পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে অধ্যাপক সোবহানকে উপাচার্যের পদ থেকে অপসারণ করে তা লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়। অন্যথায় সুপ্রিম কোর্টে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

এর প্রতিবাদে বুধবার সকালে সিনেট ভবনের সামনে প্রায় অর্ধশতাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে সংগঠনটির ব্যানারে মানববন্ধন কর্মসূটি পালন করা হয়।

মানববন্ধনে সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক হুমায়ুন কবির বলেন, ‘দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদের বৈধতা নিয়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। উপাচার্য মহোদয় বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাক্ট-১৯৭৩ মেনেই সকল কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন এবং পরবর্তী সময়ে তা রাষ্ট্রপতি অনুমোদন দিয়েছেন। কোনো আইন বিশারদ যদি রাষ্ট্রপতির অনুমোদনকে বেআইনি বলে তখন সে আইন চলতে পারে না। কেননা রাষ্ট্রপতির আইনই সর্বোচ্চ আইন।’

সোহরাওয়াদী হল প্রাধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম বলেন, ‘ভিত্তিহীন বানোয়াট তথ্য দিয়ে রাবি উপাচার্যের বিরুদ্ধে যে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে, এটা স্বার্থান্বেষী মহলের ষড়যন্ত্র। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপাচার্য একটি সম্মানিত পদ। আর এই পদের সম্মানিত ব্যক্তিকে ব্যক্তিগত ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতেই এই ষড়যন্ত্র। যথাযথ নিয়ম মেনেই ড. সোবহান বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করছেন। এ ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যারা সংশ্লিষ্ট তারা প্রকৃত মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী নন।’

ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক গোলাম সারওয়ার বলেন, ‘মোস্তাক চক্র পাকিস্তানি প্রেতাত্মার সঙ্গে হাত মিলিয়ে দেশকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করেছিল। এখানেও আমরা দেখেছি কারা বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল করতে চায়, কারা সেই মোস্তাকের উত্তরসূরি। মাননীয় উপাচার্য যখন ১/১১’র সময় গণতন্ত্র মুক্তির আন্দোলনে জেল খেটেছেন, তখন যারা সেনা সমর্থিত সরকারকে সহায়তা করেছিল তারাই এখন তার বিরুদ্ধে নানারকম ষড়যন্ত্রে বিএনপি-জামায়াতকে ইন্ধন জোগাচ্ছে। তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রেরই সামিল।’

একই দাবিতে এদিন দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বঙ্গবন্ধু প্রজন্ম লীগের ব্যানারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

সংশ্লিষ্ট বিষয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0223 seconds.