• ০৮ মে ২০১৯ ১৬:৩৬:৫৩
  • ০৮ মে ২০১৯ ১৬:৩৬:৫৩
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

লিচু পেড়ে মার খেলেন ছাত্রলীগ নেতারা

ছবি : বাংলা

রাবি প্রতিনিধি :

লিজ নেয়া বাগানে লিচু পাড়তে যাওয়ায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দুই নেতাকর্মীকে মারধর করে গুরুতর জখম ও হাত ভেঙে দিয়েছে বাগান প্রহরীরা। এ ঘটনার দায়ের করা মামলায় বুধবার সকালে কাজলার বাসা থেকে আশীষ (২৪) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, ‘ছাত্রলীগ নেতাদের মারধরের ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদের আটকের চেষ্টা চলছে। তবে তদন্তের স্বার্থে অন্যদের নাম জানায়নি পুলিশ।’

এর আগে মঙ্গলবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলের পিছনে বাগানে লিচু পাড়তে যান ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান কানন এবং উপ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক মেহেদী হাসান। এসময় বাগান পাহারারত প্রহরীরা তাদেরকে বাধা দিলে তারা নিজেদের ছাত্রলীগ নেতা পরিচয় দেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও পরে হাতাহাতি শুরু হলে প্রহরীরা ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠি-বাঁশ দিয়ে নেতাকর্মীদের এলোপাথাড়ি মারধর করেন। খবর পেয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করেন। তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে মারধরকারীরা পালিয়ে যান এবং কাউকে না পেয়ে প্রহরীদের থাকার জন্য তৈরি করা একটি মাচার ঘরে আগুন দেন নেতাকর্মীরা।

মারধরের ফলে কাননের দুটি হাতই ভেঙে যায় এবং মেহেদীর মাথা ও পায়ে গুরুতর জখম হয়। বর্তমানে তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে জানান ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু।

এ ঘটনায় রাতেই আইন বিভাগ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমরান আকাশ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামাসহ মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। এই মামলায় আটক করা হয় আশীষকে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো. লুৎফর রহমান বলেন, ‘যারা বাগান লিজ নেয়, নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তারাই মূলত বাগানের মালিক হয়ে যায়। তবে খুব অল্প টাকায় লিজ দেয়া হয় এবং লিজ গ্রহণকারীদের মৌখিকভাবে বলে দেয়া হয়। তবে শিক্ষার্থীরা অল্পবিস্তর খেলে যেন তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ না করা হয়।’

তবে রাতের ঘটনাকে খুবই জঘন্য উল্লেখ প্রক্টর বলেন, ‘রাতের বেলা কেউ লিচু খেতে যাবে বলেই এভাবে মারধর করে হাত ভেঙে দিতে হবে? এটা অন্যায়। এর কঠিন বিচার হওয়া উচিত।’

লিজ দেয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে কৃষি প্রকল্পের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো. এমরান আলীর ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0169 seconds.